মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

বঙ্গোপসাগর থেকে ২১ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ করলো কোস্টগার্ড

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজারের টেকনাফের দক্ষিণের বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তরের এক চরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২১ কোটি টাকা মূল্যের ৪ লাখ ২০ হাজার পিস বড় ইয়াবা জব্দ করেছে কোস্টগার্ড সদস্যরা। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় ইয়াবা বহনকারি বোটটিও জব্দ করা হলেও সাগরের উত্তাল পরিস্থিতির জন্য তা কূলে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। আর রাতের আঁধারে বোটে থাকা পাচারকারিরাও কৌশলে পালিয়ে যায়। এমনটি জানিয়েছেন কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লে. কমান্ডার সজীব।

তিনি জানান, একদল মাদক পাচারকারি ট্রলারযোগে সাগরপথে মাদকের চালান আনছে এমন খবর পেয়ে তাঁর নেতৃত্বে কোস্টগার্ডের একদল সদস্য বঙ্গোপসাগরে অভিযানে যায়। সেন্টমার্টিনদ্বীপের উত্তরের সাগর দিয়ে এশটি ট্রলার আসছে দেখে তাকে থামানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। কোস্টগার্ড দেখে ট্রলারটি স্পীড বাড়িয়ে চলে যাচ্ছিল। কোস্টগার্ডও পিছু নিলে মাদক পাচারকারিরা পলিথিনের ব্যাগে ভরে বেশকিছু ইয়াবা সাগরে ভাসিয়ে দেয়। তাদের ফেলে দেয়া ইয়াবার বস্তাগুলো সাগর থেকে তুলে নেয় অভিযানকারিরা। পরে তাদের ধাওয়া করলে মাদকপাচারকারিরা ঐচরে ট্রলারটি ভিড়িয়ে অন্যপ্রান্ত দিয়ে অপরট্রলারে পালিয়ে যায়। চরে আটকানো ট্রলারটি তল্লাশী চালিয়ে আরো ইয়াবা পাওয়া যায়। যা পরবর্তীতে ক্যাম্পে এনে গুনে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২১ কোটি টাকা।

তিনি আরো বলেন, অভিযান শেষ হতে রাত হয়ে যাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় মাদকপাচারকারিদের ধরা কিংবা ট্রলারটিও তীরে আনা সম্ভব হয়নি। শনিবার দুপুর পর্যন্ত সেটা সেখানেই রয়েছে। তাদের ফেলে দেয়া অন্যকোন বস্তা পাওয়া যায় কিনা সেটা খুঁজ করজে কোস্টগার্ডের অপর অভিযানিক টীম, এমনটি উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন