১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

ফিরতে চায় মালয়েশিয়ায় আটক তিন শতাধিক বাংলাদেশি

Malayঅবৈধভাবে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় গিয়ে আটক হওয়া তিন শতাধিক মানুষ এখনো আটকে আছে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে। তাদের মধ্যে দুই শতাধিক মানুষের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বাংলাদেশ থেকে পাঠানো নাগরিকত্ব সনদের অপেক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত করার অভাবেই ঝুলে আছে এসব মানুষের ভাগ্য। দেশে ফেরার আশায় শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রহর গুনছেন মানব পাচারের শিকার হওয়া অসহায় মানুষ।

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের ফুটপাতে রাখা হয়েছে খালি পা, পরনে একই রঙের গেঞ্জি আর হাড্ডিসার চেহারার এসব মানুষদের। এদের চোখেমুখে ভয়ের ছাপ।  হাতে হাতকড়া আর পায়ে শেকল পড়িয়ে এ হতভাগ্যদের শরণার্থী শিবির থেকে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরে আনা হয়। অভাব ঘোচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে স্বপ্নের দেশে পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশে ঘর থেকে বেরিয়েছিল হাজারো মানুষ। সাগরে ভাসা ট্রলারে খাবার আর পানির অভাবের সঙ্গে দালালদের ভয়াবহ নির্যাতন। পানি না পেয়ে কেউ প্রস্রাব খেয়েছেন, কেউ বা চোখের সামনে সহযাত্রীর মৃত্যু দেখে অপেক্ষা করেছেন নিজের মৃত্যুর। শেষ পর্যন্ত উপকূলরক্ষীদের হাতে মালয়েশিয়ায় আটক ৭১৬ জনের মধ্যে পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে ৪৪৬ জনের।

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার হুমায়ুন কবির জানান, ‘আমরা চেষ্টা করব ঈদের পরপরই যত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশে পাঠানো যায়। আমাদের সকল প্রস্তুতি  রয়েছে, শুধু ভেরিফিকেশনটা এসে গেলেই এদেরকে পাঠিয়ে দিতে পারব।’

মালয়েশিয়ার শরণার্থী শিবিরে মানবপাচারের শিকার এসব অসহায় মানুষ এখন তাকিয়ে রয়েছেন নাগরিকত্ব সনদের অপেক্ষায়। আর যারা সব হারিয়ে দেশে ফিরছেন, তারা অপেক্ষা করছেন সরকারের নীতি সহায়তার দিকে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।