৪ জুলাই, ২০২৬ | ২০ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৮ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

ফাইনালে বার্সেলোনা

এমন ম্যাচ বলেই ছিল উত্তেজনা। লাল আর হলুদ কার্ডের ছড়াছড়ির ম্যাচে কোপা দেল রের ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা। ফিরতি লেগে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেই শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ে পৌঁছেছে কাতালানরা। দুই লেগে বার্সার অগ্রগামিতা ছিল ৩-২।

অবশ্য একমাত্র গোলটি করেছিলেন লুই সুয়ারেসই। শেষ দিকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও শুরুতে ৪৩ মিনিটে গোল করেন উরুগুয়ের এই তারকা। দলকে ফাইনালে পৌঁছালেও লাল কার্ড দেখায় সেই ম্যাচে খেলতে পারবেন না সুয়ারেস। এছাড়া আগেই হলুদ কার্ড দেখায় এই ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার।

এই ম্যাচ জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না বার্সার। দ্বিতীয়ার্ধে আঁতোয়া গ্রিজম্যান গোল করলেও ভুলভাবে একে অফসাইডের ফাঁদে ফেলেন রেফারি। একইভাবে লিওনেল মেসিও চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মেসির ফ্রি কিক এসে লাগে বারে।

ম্যাচে যে উত্তেজনা ছিল তার প্রমাণ তিন লাল কার্ড আর ৮ হলুদ কার্ড। শেষ দিকে বার্সা ৯ জনের দলে আর অ্যাতলেতিকো ১০ জনের দলে পরিণত হয়। এর আগেই ৮৩ মিনিটে সমতায় ফেরে অ্যাতলেতিকো। গোল করেন গামেইরো।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিল অ্যাতলেতিকোও। ৭৯ মিনিটে পিকে গামেইরোকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় অ্যাতলেতিকো। কিন্তু সহজ গোলের সুযোগ পেয়েও ক্রসবারের উপরে দিয়ে বল মারেন গামেইরো।

ফাইনালে আলাভেস ও সেল্তা ভিগোর মধ্যকার ম্যাচ জয়ীর বিপক্ষে খেলবে বার্সেলোনা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।