২৪ জুন, ২০২৬ | ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৮ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

পোকখালীতে লবন ট্যাক্স দ্বিগুনঃ চাষীদের মাথায় হাত!

index

কক্সবাজার সদরের উপকুলীয় ইউনিয়ন পোকখালীতে অপরিশোধিত লবন থেকে দ্বিগুন হারে ট্যাক্স আদায় করছে ইউনিয়ন পরিষদ। এতে লবন চাষীদের মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ এভাবে দ্বিগুন ট্যাক্স আদায়ের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্ত-ভোগী চাষীরা।জানা যায়, মাঠে উৎপাদিত অপরিশোধিত লবনের উপর ইতি পুর্বে মনপ্রতি ১টাকা হারে ইউপি ট্যাক্স আদায় করা হয়। অথচ পার্শ্ববর্তী চৌফলদন্ডী , ইসলামপুর, খুরুস্কুল, ভারুয়াখালী ও পিএমখালীসহ অন্যান্য ইউনিয়নে যথারীতি ১টাকা হারে লবন ট্যাক্স আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু বিগত ১লা বৈশাখ থেকে পোকখালী ইউনিয়ন পরিষদ হঠাৎ করেই ২টাকা হারে লবন ট্যাক্স আদায় করতে শুরু করে। এতে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন চাষীরা। গোমাতলীর লবন চাষী আবদুল জলিল বলেন, মাঠ লাগিয়ত পলিথিনও ডিজেলসহ প্রভৃতি উপকরনের দাম বাড়তি থাকায় প্রতিমন লবন উৎপাদনে ১৬০/১৭০ টাকা খরচ হলেও লবনের দাম কম থাকায় প্রতিবছর চাষীরা লোকসান দিচ্ছেন। অপরচাষী ইউসুপ আলী বলেন, লোকসানের ফলে অনেক চাষী পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে গিয়েছে। গত মৌসুমে জেলায় ৬৪ হাজার একর জমিতে লবন চাষ হলেও চলতি মৌসুমে মাত্র ৬০ হাজার একর জমিতে লবন চাষ হচ্ছে। ফলে অনেক লবন মাঠ এবছর অনাবাদী পড়ে আছে। কমলা পাড়ার চাষী নজির আহমদ বলেন, এমতাবস্থায় মড়ার উপর খাড়াঁর ঘার মত লবন ট্যাক্স দ্বিগুন করায় চাষীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন ঘাট ইজারাদার জানান, ট্যাক্স আদায়ের সময় প্রতিদিন চাষীদের সাথে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি হচ্ছে। লবন চাষী সমিতির সদর উপজেলা সভাপতি হান্নান মিয়া বলেন, এভাবে অযৌক্তিক ট্যাক্স আরোপের ফলে দেশের স্বয়ংসম্পুর্ন লবনশিল্প হুমকির মুখে পড়বে। লবন ট্যাক্স দ্বিগুন হারে আদায় করার প্রতিকার চেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন চাষীরা । জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসক, সংসদ সদস্য, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক,(রাজস^) রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। লবন ট্যাক্স দ্বিগুন আদায়ের ব্যাপারে অভিযুক্ত পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান মৌঃ ফরিদুল আলম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে রেজুলেশন পাশ করে লবন ট্যাক্স দ্বিগুন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের বিভিন্নস্তরে চাষীদের অভিযোগ দায়ের করাকে শয়তানী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, উপরোক্ত ব্যাপারে তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।