৯ জুলাই, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

সভাপতি কবির হোসেন, সম্পাদক এহেছানুল করিম

পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি চকরিয়া শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি বৃহত্তর চকরিয়া (চকরিয়া, পেকুয়া, লামা, আলী কদম, মহেশখালী) উপজেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন (২০১৭-২০১৯) সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কক্সবাজার শহরের রক্ষিত মার্কেট প্রাঙ্গনে ভোট গ্রহণ হয়। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষনা দেন নির্বাচন কমিশন।
তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ২২ ভোট পেয়ে চকরিয়া সাহিত্য নিকেতনের কবির হোসেন সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি চকরিয়া বইঘরের আবদুল গফুর পান ১৬ ভোট। সহ-সভাপতি পদে সিটি লাইব্রেরীর মোঃ নজরুল ইসলাম ২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী পেকুয়া ইসলামীয়া লাইব্রেরীর মুহিব্বুল্লাহ পেয়েছেন ১৭ ভোট। চকরিয়া সৌদিয়া বইঘরের এহেছানুল করিম ৩৪ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পদের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী চকরিয়া আজাদ লাইব্রেরীর হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৪ ভোট। অর্থ সম্পাদক পদে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটযুদ্ধে লড়েছেন নিউ সৌদিয়া বইঘরের জাহাঙ্গীর আলম ও আজাদ লাইব্রেরীর আফাজ উদ্দিন আজাদ। ভোট গননা শেষে ফলাফলে উভয়ে সমান ১৯ ভোট পান। পরে নির্বাচন কমিশনার, বিজয়ী সভাপতি ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে আফাজ উদ্দিন আজাদকে অর্থ সম্পাদক পদটি ‘ছাড়’ অপরপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। যেটি সবার মাঝে একটি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো। মোট ৪০ ভোটের মধ্যে ৩৯ ভোট কাস্ট হয়। বাতিল হয়েছে ১টি ভোট।
এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ রমজান আলী। এছাড়া নুরুল আমিন সদস্য সচিব এবং আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সার্বক্ষণিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ছিলেন সংগঠনের জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ ওমর ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট তাপস রক্ষিত ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুজ্জামান।
এর আগে সমিতির কার্যকরি কমিটির ১৩ পদের মধ্যে বাকী ৯টি পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়। তারা হলেন- চকরিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরীর এনামুল হক যুগ্ম-সম্পাদক, সদস্য- বদরখালীর কেবি লাইব্রেরীর মোহাম্মদ হাসান, হারবাং নাহার লাইব্রেরীর নাজিম উদ্দিন, আলী কদম শাহ মজিদিয়া লাইব্রেরীর মাহমুদুল্লাহ, বেতুয়া বাজার সৌদিয়া লাইব্রেরীর নুরুল কাদের সোহেল, লামা সুজন লাইব্রেরীর জুবাইদুল ইসলাম, ডুলাহাজারা নোমান লাইব্রেরীর মোহাম্মদ নোমান, খুটাখালী মান্নান লাইব্রেরীর আবদুল মান্নান এবং পেকুয়া হালিমা লাইব্রেরীর দিদারুল ইসলাম।
এদিকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায় নির্বাচন কমিশন, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী, ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুজ্জামান। একই সঙ্গে পরাজিতদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তারা নতুন নেতৃত্বের সাথে সমন্বয় করে সমিতিকে অগ্রসর করতে সবার প্রতি আহবান জানান।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।