২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

পর্যটন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার-জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন

এম. এ আজিজ রাসেলঃ জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেছেন, কক্সবাজার পুরো বিশ্বে স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে খ্যাত। তাই এই অর্জনকে ধরে রাখতে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে প্রিয় শহরকে। এটা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। যারা শহর পরিচ্ছন রাখার নিয়ম মানবে না তাদের পাঠানো হবে মফস্বলে।
বুধবার দুপুর থেকে ময়লা আবর্জনার ফেলার বাক্স বিতরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র জিসান উদ্দিন জিসান, কাউন্সিলর সিরাজুল হক, কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর আকতার কামাল, কাউন্সিলর হুমায়রা বেগম, কাউন্সিল আঞ্জুমান নাহার, সচিব রাসেল চৌধুরী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি সাহিত্যিক শামীম আকতার।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মুমিনুল ইসলাম বলেন, ময়লা-আবর্জনার বাক্স স্থাপনের জন্য পৌরসভা থেকে ৮৮৪ স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি স্পটে সবুজ ও হলুদ রংয়ের দুটি করে ডাস্টবিন থাকবে। সবুজ রংয়ের ডাস্টবিনটি পচনশীল ও হলুদ রংয়ের ডাস্টবিনটি অপচনশীল ময়লা ফেলা হবে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হোটেল, আবাসিক ছাড়াও বিভিন্ন সড়কেও ডাস্টবিন গুলো বসানো হবে। দুটি ডাস্টবিনের বিপরীতে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নূন্যতম একটি ফি ধরা হয়েছে। আবাসিক ও সড়ক গুলোতে বিনামূল্যে বসানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে আপাতত ২০টি করে দেওয়া হচ্ছে। প্রথমদিনে প্রায় ৫০ টি বিতরণ করা হয়।

ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এই ডাস্টবিন ব্যবহার সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যবান শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।