৬ জুলাই, ২০২৬ | ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতির সঙ্গে সাদা পোষাকে উপপরিদর্শকের অসদাচারণ!


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরীর সঙ্গে সাদা পোষাকে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের অসদাচারণের অভিযোগ উঠেছে।
শফিক উল্লাহ নামের ওই পুলিশ কর্মকর্তা গতকাল রোববার সকাল পৌনে ১১টায় উপজেলা পরিষদের সামনে এ ঘটনা ঘটান। এ নিয়ে স্থানীয় প্রেসক্লাব সহ সচেতন মহলের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাৎক্ষণিক জরুরী সভা ডেকে ওই এসআইকে প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ সুপারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
প্রেসক্লাব সভাপতি শামীম ইকবাল চৌধুরী বলেন, গতকাল সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে সাংবাদিকদের মধ্যে আলাপরত অবস্থায় এক ব্যাক্তি অর্তকিত অবস্থায় এসে সাংবাদিকদের গায়ে ধাক্কা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বলেন অন্যতায় তাঁকেসহ প্রেসক্লাব সম্পাদককেও গ্রেফতারের হুমকি দেন। পরে জানতে পারি তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানার এসআই। এ ঘটনায় উপস্থিত সাংবাদিকরা হতবাক হয়ে পড়েন।
প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক আবুল বশর নয়ন বলেন- ওই পুলিশ কর্মকর্তার ঔদ্যত্তপূর্ণ আচরণের বিষয়য়ে নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবে তাৎক্ষণিক সভায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন- ইতিপূর্বে এসআই শফিক নাইক্ষ্যংছড়িতে সাংবাদিকদের হেয়প্রতিপন্ন করে সাংবাদিক নেই বলে মন্তব্য করেছিলেন। ওই এসআই অহেতুক সাংবাদিকদের সাথে বার বার বিবাদে জড়ানোর কারণে অনতিবিলম্বে তাকে প্রত্যাহারের দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ আন্দোলনে যাবে।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই শফিক উল্লাহ সাদা পোষাকে থাকার কথা স্বীকার করে বলেন- দুই সাংবাদিকের মধ্যে ঝগড়া থামাতে চেষ্টা করেছি মাত্র। তবে প্রথমে আমি পুলিশ পরিচয় দিয়েছিলাম।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এএইচ এম তৌহিদ কবির বলেন- ‘আমি জেলায় একটি মিটিংয়ে আছি’ প্রেসক্লাব সভাপতির সাথে এসআই শফিকের কথাকাটাটি হয়েছে বলে শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
উল্লেখ্য এসআই শফিক উল্লাহ নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় যোগদানের পর থেকে গ্রামের অসহায় গরীব জনসাধারণকে বিভিন্ন ভাবে হয়রাণি ও অভিযোগ সুরাহার নামে ঘুষ আদায় করে আসছেন। ইতিপূর্বেও তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে সমালোচনা করে তোপের মুখে পড়েন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।