২০ জুন, ২০২৬ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে কলেজছাত্রী অপহরণ, আটক – ১

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে কলেজ ছাত্রীকে অপহরন করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় আটক একজনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আটক জসিম উদ্দীন প্রকাশ পুতু সদর কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়ার মৃত ছিদ্দিক আহমদের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে প্রকাশ, নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম এ কালাম ডিগ্রী কলেজের ছাত্রী আয়েশা ছিদ্দিকা (১৭) গত ০৭ ডিসেম্বর কলেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। অবিভাবকরা তাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় নিখোঁজ ডায়েরী করেন। এরপর এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে যে, অপহৃত ছাত্রীকে খরুলিয়ায় আটকে রাখা হয়েছে। এর সূত্র ধরে ১৮ ডিসেম্বর তার অবিভাবকরা খরুলিয়ার বান্ডু ড্রাইভারের বাড়ীতে গিয়ে অপহৃতাকে দেখতে পান। এসময় অপহৃতা ছাত্রী তাকে বিয়ের আশ্বাসে কৌশলে অপহরনের কথা জানায় ও এজন্য বান্ডু ড্রাইভারের ছেলে জিয়াউল হককে দায়ী করে। এসব কথা বলার সময় অপহৃতা আয়েশাকে জোর করে অন্যস্হানে নিয়ে যায়। এরপর ২০  ডিসেম্বর অপহৃতার ভাই আমিনুল ইসলাম নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় অপহরন মামলা  দায়ের করেন। অপহরনকারী ও সদর উপজেলার খরুলিয়ার বান্ডু ড্রাইভারের ছেলে জিয়াউল হক, আজিজুল হক ও  আমিনুল হকসহ ৬ জনের বিরূদ্ধে দায়ের করা এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই নুরুল আমিন জানান, আটক আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।