১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

ধর্ষণের ভয়ে স্কুলে যায় না ছাত্রীরা

ধর্ষণের ভয়ে স্কুলে যাওয়া ছেড়ে দিয়েছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শালের হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে অভিভাবক ও স্থানীয়রা।

ওই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী শিক্ষক কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়। পরে ওই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ায় এ পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। শালের হাট গ্রামের মাসুমা বেগম তার মেয়েকে দুদিন ধরে স্কুলে পাঠান না। তিনি জানান, স্কুলের পরিবেশ ভালো না। শিক্ষক যদি ধর্ষক হয় কী করে মেয়েকে স্কুলে পাঠাই। ওই স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা আক্তার জানায়, সে ভয়ে স্কুলে যায় না। একই সুরে তার বড়ভাই দশম শ্রেণির ছাত্র শামিম পারভেজ বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও স্কুুলে যায় না। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী আনছুরা আক্তার জানায়, স্যার খারাপ, এ জন্য তার মতো সবাই স্কুলে যায় না।

অভিভাবকদের অভিযোগে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুল হালিমের কুর্কীতির জন্য তারা তাদের ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছেন না। গতকাল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, আবদুল হালিম ছাড়া সব শিক্ষক আছে। তবে একজনও শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না স্কুলে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান বলেন, বৈরী আবহাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম ছিল। সহকারী শিক্ষক আবদুল হালিমের বিষয়ে তিনি জানান, অসুস্থজনিত কারণে ওই শিক্ষক চার দিনের ছুটি নিয়েছেন।

সহকারী শিক্ষক আবদুল হালিমকে স্কুলে ও তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী রিক্তা পারভীন বলেন, এসব গুজব ও ষড়যন্ত্র। তিনি দাবি করেন, তার স্বামী সৎ চরিত্রবান। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার শাহিন আক্তার বলেন, তিনি এসব ঘটনা জানেন না।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।