২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদগড় থেকে পান রপ্তানী

pan
কক্সবাজার জেলার কৃষি প্রধান এলাকা ঈদগড়ের কৃষকরা পান চাষ করে কৃষি ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। ঈদগড়ের পান এখন দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী হচ্ছে। খুবই সুমিষ্ট এলাকার পান। এলাকায় ও অন্যান্য জায়গায় খুবই সুনাম রয়েছে ঈদগড়ের পানের। পান চাষ করে এলাকার মানুষ নিজেদেরকে প্রকৃত স্বাবলম্বি হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে। হত দরিদ্র শত শত মানুষ পান চাষ ও ব্যবসা করে মহাসুখে দিন কাটাচ্ছেন। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঈদগড়ের হাসনাকাটা, বড়বিল, কাটা জঙ্গল, বউঘাট, চেংছড়ি, বড়ইরচর, ছগিরাকাটা, পানিস্যাঘোনা, করলিয়ামুরা, তৈলখলা, চাইল্যাতলি ও কোদালিয়াকাটাসহ আরো বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হারে পান চাষ হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এলাকার আবাদযোগ্য জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা জুড়েই পান চাষ করা হয়। খড়-খুটো আর বাঁশ-বেতের মাধ্যমে পুরনো কায়দায় নির্মিত এসব পানের বরজ হঠাৎ দেখলে পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের তাক লেগে যায়। উৎপাদিত পান বিক্রির জন্য এলাকায় প্রতিদিন ছোট-বড় পানের হাটও জমে উঠে। আর এসব পান কিনতে আসেন বিভিন্ন এলাকার পাইকার ও মহাজনরা। বর্তমানে পান চাষ অধিক লাভ জনক হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রকম রোগ-বালাই ও প্রতিকূলতা কমে আসায় অন্যান্য ফসলের তুলনায় পান চাষ এখন অধিক লাভ ও সুবিধাজনক।

য় কয়েকজন পান চাষী জানান, রোগ-বালাইয়ের কারণ উদঘাটন ও নিরসনের জন্য কারো কাছ থেকে কোন সাহায্য-সহযোগিতা ও পরামর্শ পান না। স্থানীয় উপ-কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, আবাদী ভূমির এখন অধিকাংশই পান চাষ হচ্ছে। এলাকার মানুষের কাছে পান চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।