১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল   ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরছেন জেলেরা

 

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা রক্ষায় ইলিশ মাছ ধরার ক্ষেত্রে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। মার্চ ও এপ্রিল ওই দুই মাসের জন্য সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ সোমবার থেকে মেঘনা নদীতে ইলিশ শিকারে নেমেছে প্রায় অর্ধলাখেরও বেশি জেলে।

আজ সোমবার ভোর থেকেই লক্ষ্মীপুরের কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও সদর উপজেলায় মেঘনা নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলেরা। নদীতে মাছ ধরা শুরু হওয়ায় জেলে পল্লীগুলোতে যেন প্রাণ ফিরে এসেছে। মাছঘাটগুলোতে জেলে, মাছ ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের কর্ম তৎপরতা শুরু হয়েছে।

রামগতি ও কমলনগরের জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুই মাস মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার পর নদীতে মাছ শিকারে যাচ্ছেন তাঁরা। নৌকা মেরামত, জাল বোনা ও ছেঁড়া জাল ঠিকঠাক করে নেমে পড়েছেন মাছ শিকারে। বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় গত দুই মাস ধারদেনা করে সংসার চলেছে। নদীতে মাছ ধরা পড়লে সামনের দিনগুলো ভালো কাটবে।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরে ৪৫ হাজার ৭৭১ জন নিবন্ধিত জেলে আছেন। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব প্রজাতির মাছ ধরা থেকে বিরত থাকায় এদের মধ্যে থেকে ২৫ হাজার ৯৪৭ জন জেলেকে ৪০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। জেলেরা চার কিস্তি পাবেন ভিজিএফের চাল।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম মহিব উল্লাহ জানান, নিষিদ্ধ সময়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে গত দুই মাসে ২৩ জেলেকে জেল এবং ৮৮ জনকে তিন লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ৬৯ মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়। পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে কয়েক লাখ মিটার জাল। আজ থেকে জেলেরা নদীতে সব প্রজাতির মাছ শিকার করতে পারবে। তবে ৩০ জুন পর্যন্ত জাটকা শিকার করা যাবে না। জাটকা রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জাটকা ইলিশ রক্ষার জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শত কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ ছাড়া এ সময় নদীতে মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ ছিল।

ভোলার দিকেও জেলেরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মাছ ধরায়। মনপুরা উপজেলার ২০ সহস্রাধিক জেলের মেঘনায় ইলিশ ধরার অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ ১ মে। দুই মাস নিষেধাজ্ঞার পর আবার জাল নিয়ে নদীতে নেমেছেন জেলেরা।

নিষেধাজ্ঞার পর আজ সোমবার সকাল থেকেই মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদী ফিরে পেয়েছে তার পুরোনো চেহারা। সকাল থেকেই জেলেরা জাল, নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে নদীতে। আবার মাছ ধরতে শুরু করায় জেলেদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।