২০ এপ্রিল, ২০২৬ | ৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!   ●  উখিয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার দেড় শতাধিক পরিবার পেল কৃষি উপকরণ   ●  পাতাবাড়ি স্কুল প্রাক্তনদের পুনর্মিলনী ২৮ মার্চ   ●  উখিয়ায় মাত্তুল শফিকের নেতৃত্বে ছাত্রদল নেতাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা

ড্রেন করার নামে শত বছরেরপুরনো গাছটি কেটে ফেলেছে চকরিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ!


কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার ফুলতলা গ্রাম। শতবছর থেকে যে গাছটির নামে ফুলতলা নামকরণ করা হয়েছিল সেই গাছ এখন আর নেই। সেখানে ফুলতলা নামক কোন স্মৃতি চিহৃ নেই। ড্রেন করার নামে চকরিয়া পৌর কর্তৃপক্ষ ছায়াঘেরা শত বছরের পুরনো ফুল গাছটি কেটে ফেলেছে। এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।স্থানীয় লোকজন জানান, চকরিয়া পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ফুলতলা এলাকায় ব্র্রিটিশ আমলে রোপণ করা সেই ফুলগাছটি ড্রেন করার নামে গত এক সপ্তাহ পূর্বে পৌরসভার লোকজন কেটে ফেলেছে। কিন্তু বিগত সময়ে পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকান্ডের সময় রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ করলেও গাছটি কাটেনি।এলাকাবাসীরা ফুলগাছটি কাটতে নিষেধ করেন। কিন্তু পৌরসভার বর্তমান মেয়র আলমগীর চৌধুরী উন্নয়নের দোহাই দিয়ে গাছটি কেটে ফেলেছে। এতে এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়িরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছে।পরিবেশবাদী সাংবাদিক এমআর মাহমুদ বলেন, বিশাল আকৃতির ফুলগাছ থাকায় ওই স্থানের নাম ফুলতলা রাখা হয়। এই নামটি বিভিন্ন স্থানে লিপিবদ্ধ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ, এই এলাকাকে ফুলতলা হিসাবে পরিচিত লাভ করে। ফুলগাছটি শতবছর ধরে তার ঐতিহ্য ধারণ করে আসছে। এলাকাবাসী তাদের বিশ্রামে, সৌন্দর্য্য বর্ধনে, পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ব্যবহার করে আসছে ফুলগাছের ছায়া। বিভিন্ন প্রতিকূলতা রক্ষা ও সব সময় মানুষ ফুল গাছের ছায়ায় বিশ্রাম করত। তিনি আরও বলেন, বিগত ১০বছর পূর্বে এই ফুলগাছ কাটার কারণে সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সহ একাধিক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিলো। কালের স্বাক্ষী ফুলগাছটি কেটে স্মৃতি চিহৃ মুচে ফেলা হয়েছে। এই রকম গাছ সব সময় স্বাক্ষী হয় না ইতিহাসে। বিশাল আকৃতির ফুল গাছটি মাত্র ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে।চকরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতিশওকত হোসেন বলেন, শতবর্ষী ফুলগাছটি না কাটার জন্য অনেকবার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু উন্নয়নের স্বার্থে গাছটি কেটে ফেলতে হয়েছে। নাকাটলে দুটি দোকান ভেঙ্গে ফেলা হতো। সেখানে ড্রেন করার জন্য ইতোমধ্যে পৌরসভা কাজ শুরু করেছেন। গাছটি ১৫ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করাহয়েছে। ওইসব টাকা ফুলতলা জামে মসজিদের উন্নয়নের কাজে ব্যয়ের কথা তিনি জানান।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।