২৩ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৯ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক গেইটের সেই কটেজ গুলোর অনৈতিক ব্যবসা

55555

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক গেইটের কটেজ গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অনৈতিক ব্যবসা। পুলিশ প্রশাসনের একাধিক অভিযানের পরও কটেজের লোকজন বহিরাগত নারীদের জড়ো করে দিব্যি চালাচ্ছেন এ ব্যবসা। অনৈতিক এ ব্যবসা অব্যাহত থাকায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। প্রতিনিয়ত নানাভাবে বিপদগামী হচ্ছে স্কুল-কলেজ-মাদরাসা পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় কটেজ গুলোর অবৈধ ব্যবস্থা বন্ধের মাধ্যমে এলাকার শান্তিপুর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে দুইমাস আগে এলাকাবাসি লিখিত অভিযোগ করেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। অভিযোগ উঠেছে, পুলিশ সুপারের কাছে অভিযান করার পরও বর্তমানে এসব কটেজে অব্যাহত রয়েছে রমরমা অনৈতিক বাণিজ্য। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, কটেজ মালিক নিত্যদিন প্রকাশ্য দিবালোকে সমাজ বিরুধী কাজটি করে আসলেও তাদের গ্রেফতার কিংবা কটেজ গুলো বন্ধে প্রশাসনের বাঁধা কোথায়। তাঁরা কি প্রশাসনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী!। অভিযোগ আছে, থানা পুলিশ এসব কটেজে অনেকবার অভিযান পরিচালনা করলেও একবারও কটেজের কোন মালিক গ্রেফতার হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে এ যাবত থানায় কোন মামলাও হয়নি।
স্থানীয় সুত্র জানায়, সাফারি পার্ক গেইটে ছাবের আহমদ ত্রি-স্টার, আবছারের সাফারি টু স্টার, কুতুবউদ্দিন, জসিম উদ্দিন ও কাইছারের মাসুমা ভিলা রকির রোজ গার্ডেন ও লোহাগাড়া উপজেলার বাসিন্দা মোস্তাক আহমদের মেরিডিয়ান গেষ্ট হাউজ নামে এসব কটেজ সমুহ পরিচালনা করছেন
অপরদিকে, সাফারি পার্ক গেইটের কটেজ গুলোর পাশাপাশি মালুমঘাট ষ্টেশনের আবাসিক হোটেল নজরুল বোডিং, ভাই ভাই বোর্ডি, রেন্ট গেষ্ট হাউজ, আজিজ বোর্ডিং ও মুজিব বোডিংয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ অনৈতিক ব্যবসা। থানা পুলিশ এসব আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইতোপুর্বে বিপুল নারী পুরুষকে আটক করে। তারপরও থেকে এসব আবাসিক হোটেলে রমরমা বাণিজ্য।
জানতে চাইলে এলাকার অনেকে বলেন, সাফারি পার্কের পাশে একটি কলেজসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। পার্কের গেইটে অবস্থিত এসব কটেজে চলমান নোংরা কার্যক্রমের কারনে একদিকে সামাজিক পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে স্কুল-কলেজ-মাদারাসা পড়–য়া শিক্ষার্থীরা নানাভাবে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। তাই এ কারনে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে এসব কটেজ বন্ধে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দুই মাস আগে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরও কটেজ সমুহে আগের অবস্থা বিদ্যামান রয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।