মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

টেকনাফে ৫ অবৈধ ইটভাটাকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
বুধবার (২ মার্চ) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, আজ (বুধবার) টেকনাফে ৫ টি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্র ও ইট পুড়ানোর ছাড়পত্র না থাকায় অবৈধ ইটভাটা ধ্বংসে দেশব্যাপী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জরিমানা আদায় করা ৫ ইটভাটা হচ্ছে যথাক্রমে টেকনাফের হোয়াইক্যং এর আবুল হাশেম মেম্বারের মালিকানাধীন এএইচবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, গিয়াস উদ্দিনের এসএমবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, জুনাইদ আলীর এমআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, আবদুল্লাহর এআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা এবং মীর কাশেমের এমকেবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা।
কক্সবাজারের পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘এসব ইটভাটায় ইতিপূর্বে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু বার বার তারা একই অপরাধ করছে। অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস না করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।’ অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে তিনভাগের দুইভাগ ইটভাটা অবৈধ। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এসব ইটভাটা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এসব ইটভাটা মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের এসব ইটভাটা বন্ধে আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে।’ অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন। এর আগে মঙ্গলবার ১ মার্চ চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ইটভাটা আংশিক ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন