১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

টেকনাফে ৫ অবৈধ ইটভাটাকে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের টেকনাফে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
বুধবার (২ মার্চ) পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, আজ (বুধবার) টেকনাফে ৫ টি ইটভাটায় অভিযান চালানো হয়েছে। পরিবেশ ছাড়পত্র ও ইট পুড়ানোর ছাড়পত্র না থাকায় অবৈধ ইটভাটা ধ্বংসে দেশব্যাপী অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে টেকনাফে অভিযান চালিয়ে ৫ ইটভাটা মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।


জরিমানা আদায় করা ৫ ইটভাটা হচ্ছে যথাক্রমে টেকনাফের হোয়াইক্যং এর আবুল হাশেম মেম্বারের মালিকানাধীন এএইচবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা, গিয়াস উদ্দিনের এসএমবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, জুনাইদ আলীর এমআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, আবদুল্লাহর এআরবি ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা এবং মীর কাশেমের এমকেবি ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকা।
কক্সবাজারের পরিবেশ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’ এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, ‘এসব ইটভাটায় ইতিপূর্বে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু বার বার তারা একই অপরাধ করছে। অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস না করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।’ অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারে তিনভাগের দুইভাগ ইটভাটা অবৈধ। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এসব ইটভাটা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এসব ইটভাটা মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসনের এসব ইটভাটা বন্ধে আন্তরিকতার ঘাটতি রয়েছে।’ অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহায়তা করেন। এর আগে মঙ্গলবার ১ মার্চ চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ইটভাটা আংশিক ধ্বংস করে বন্ধ করে দেয়া হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।