মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফে হামলায় একই পরিবারের তিন রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ

শেয়ার করুন

কক্সবাজারসময় ডেস্কঃ কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের গুলিতে একই পরিবারের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নয়াপাড়া ক্যাম্পের আই ব্লকের এক নম্বর রুমে সশস্ত্র হামলায় তারা গুলিবিদ্ধ হন।

এ তিনজন হলেন- ১ নম্বর রুমের হোসেন আলীর ছেলে আজিজুল হক (৫০), তার স্ত্রী তৈয়বা বেগম (৪০) ও ছেলে হোসেন জোহার (১৬)। আজিজুল হক আইন প্রয়োগকারী কোনো সংস্থার সোর্স হিসেবে কাজ করতেন বলে খবর ছড়ানো হয়েছে।

নয়াপাড়া ক্যাম্প পুলিশের দায়িত্বরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. গোলাম আজম জানান, নয়াপাড়া ক্যাম্পে ডাকাতি এবং গুলি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে রোহিঙ্গাদের একই পরিবারের তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওই ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও ডাকাত আব্দুল হাকিম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড নুরুল আলম ও মোহাম্মদ সাদেকের নেতৃত্বে সন্ধ্যায় ক্যাম্পের আই ব্লকের বাসিন্দা আজিজুল হকের ঘরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় বাড়িতে থাকা লোকজন চিৎকার শুরু করলে অস্ত্রধারীরা তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে একই পরিবারের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়।

তখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসছে দেখে হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ক্যাম্পের ভেতরে স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের একেক জনের দেহে দুই-তিনটি গুলি বিদ্ধ হওয়ার চিহ্নও রয়েছে। এ ঘটনায় রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, গুলিবিদ্ধ আজিজুল হক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করেন বলে এলাকায় ছড়ানো হয়েছে। সেজন্য সন্ত্রাসীরা আজিজের ওপর ক্ষুব্ধ হয়। এরই জের ধরে হামলার ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

শেয়ার করুন