৩০ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১২ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

টেকনাফে ভুল চিকিৎসায় ডাক্তারের অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ


রহমত উল্লাহঃ

টেকনাফ সরকারি হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় ও ডাক্তারের অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গী খালী গ্রামের জাহেদ হোসেনের স্ত্রী জুহুরা বেগম (৫০)। এ ঘটনায় রোগীর স্বামী বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এসআই সজীব রোগীর স্বজন এবং হাসপাতালের দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলেছি। রোগীর স্বজনদের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোগীর ছেলে রবিউল আলম (২০)জানান,৬
জানুয়ারি বুধবার রাত ৯ টার দিকে আমার মায়ের শরীরের অবস্থা খারাপ দেখা দিলে টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করি আমার মাকে। ভর্তি হওয়ার পর এক মহিলা নার্স ইনজেকশন দিতে চাই আমার মা তখন ইনজেকশন না দেওয়ায় জন্য বারণ করে তবে বাধ্য করে নার্স ইনজেকশন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মা মৃত্যুর সাথে লড়াই করলে আমি কর্তবরত ডাক্তার জাকারিয়াকে ফোন করে বলি আমার মা অজ্ঞান হয়ে গেছে তখন ডাক্তার জাকারিয়া আমাকে আসবে না বলে হুমকি দেন যা আমার মোবাইলে রেকর্ড আছে। ফোন কেটে দিয়ে দেখি আমার আর নেই পরে আমি ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশকে অবহিত করি।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য ডা.জাকারিয়ার ০১৬৭১৪৯১৩১৪ মোবাইলে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সেই ফোন রিসিভ করেননি। তবে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃটিটু চন্দ্র শীল দাবি করেন, এই মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। রোগী ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। চিকিৎসা যা দেওয়ার তারাই দিয়েছে। তবেএই রোগী আগে থেকেই হাই পেশার ছিল এবং ডাইবেটিস ছিল বেশি তার কারণে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল এই কারণে মারা যায়নি ওনি চিকিৎসা চালাকালিন মারা গেছে রোগী।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।