২১ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

টেকনাফে আনসার ক্যাম্পে অস্ত্র লুট ও খুনের ঘটনার হোতা খাইরুল আমিন ও আব্দুল কালাম অস্ত্র সহ আটক

কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া আনসার ক্যাম্পের আনসার সদস্য খুন ও ১১টি অস্ত্র লুটের ঘটনায় অন্যতম হোতা খাইরুল আমিন(বড়) ও মাস্টার আব্দুল কালাম আজাদকে ৯ জানুয়ারী সোমবার বিকালে উখিয়ার রোহিঙ্গা অধূ্যষিত কুতুপালং এলাকা থেকে ১টি পিস্তল ও ১টি ওয়ান শুটার গান এবং গুলি সহ আটক করেছে র্যাপিড অ্যকশন ব্যাটেলিয়ার(র্যাব-৭)।

র‌্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কর্ণেল আশেকুর রহমান খাইরুল আমিন(বড়) ও মাস্টার আব্দুল কালাম আজাদকে অোটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য ২০১৬ সালের ১৩ মে টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পের পাশের পাহাড় হতে ১৫/২০ জন মুখোশধারী ডাকাত সিওডি ব্লক সংলগ্ন শালবাগান আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায়।পরে ব্যারাকে ঢুকে আনসার সদস্যদের রশি দিয়ে বেঁধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেে এবং আলী হোসেন (৫৫) নামে এক আনসার সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে।

এসময় হামলাকারীরা ১৫ মিনিটের মধ্যে ওই ক্যাম্পের আনসার বাহিনীর ব্যারাক থেকে দুটি এসএমজি, পাঁচটি চায়নিজ রাইফেল, চারটি শটগান ও ৬৭০টি গুলি লুট করে পালিয়ে যায়। নিহত আনসার সদস্যের বাড়ি টাঙ্গাইলের শফিপুরের মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে আলী হোসেন (৫৫)।

জানা গেছে,ওই ঘটনায় সন্দেহভাজন ডাকাতরা হলেন- চট্টগ্রামে অবস্থানকারী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) নেতা আবদুর রাজ্জাক ও ডি ব্লকের শীর্ষ ডাকাত রফিক, টেকনাফের শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিম ডাকাত, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মোস্তাক, হারুন, নুর আলম, নেজাম, জকির আহমদ, রশিদ উল্লাহ, হাসান, মো. আয়াছ, হোসেন আহমদ, কেফায়েত উল্লাহ, মাস্টার রশিদ, ডা. ইউনুছ, খোরশেদ ও মাহামুদুল হাসান ও কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের খাইরুল আমিন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।