১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

টেকনাফে আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে জমি দখল

বার্তা পরিবেশক :

টেকনাফে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

১৩ মার্চ (রবিবার) বিকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আরব আমিরাতের প্রবাসী টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দরগার ছরা এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সালামের স্ত্রী – সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রবাসীর স্ত্রী রশিদা বেগম বলেন, টেকনাফ পৌরসভার ইসলামাবাদ এলাকায় আমার স্বামী ২০০৮ সালে টেকনাফ জালিয়া পাড়ার বাসিন্দা মরহুম হাজী আব্দুল মোতালেবের ছেলে মমতাজ মিয়ার কাছ থেকে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। যাহা সৃজিত বিএস খতিয়ান নং ৩৬৮২, বিএস দাগ নং ১২০৫ এর আন্দর ০.৩০ একর জমি তুলনামূলক দিয়ারা খতিয়ান নং ১১১৪, দিয়ারা দাগ নং ৭১৭ এর আন্দর ০.৩০ একর জমি। উক্ত জমি ক্রয় করার পর আমার পরিবারের পক্ষ থেকে জমির মালিক অর্থাৎ আমার স্বামীর বিদেশ অবস্থানকালীন এবং অন্যত্র আমাদের নিজস্ব বসত ভিটা থাকায় আমি ও সন্তানরা জমিটি দখলে নিয়া ঘর নির্মাণ করিয়া ভাড়া দিয়ে আসছি। কিন্তু জমিটিতে স্থানীয় ইসলামাবাদের বাসিন্দা মৃত কালা মিয়ার ছেলে অলি আহমদ, কবির আহমদ, আলী আহমদ, সাব্বির আহমদ এবং একই এলাকার তাদের সহযোগী মোবারক, মেহদী, রহমত উল্লাহ, কেফায়েত উল্লাহ, রশিদ আহমদ ও হোছন আহমদের লোলুপ নজর পড়ে। তারা আমাদের কে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে উক্ত জমি থেকে তাড়িয়ে জমিটি অবৈধভাবে ভোগদখলের পায়তারা করে। পরে জমিতে অবস্থানরত ভাড়াটিয়াদের হুমকি ধমকি ও মারধর করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।

বিষয়টি আমরা যাছাই এবং জমিটি দেখাশুনা করতে গেলে অলী আহমদ গং আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে হামলা চালায়।
সংবাদ সম্মেলনে রশিদা বেগম আরও বলেন, পরবর্তীতে আমার স্বামীর খরিদকৃত জমি অবৈধ দখলের হাত থেকে রেহাই পেতে এবং দখলকারী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাত থেকে নিজেদের জান মালের নিরাপত্তা পেতে গত ২০২১ সালে আমার বড় ছেলে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাদি হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হয়। বিজ্ঞ আদালত জমিটিতে অবৈধ দখলমুক্ত করতে এবং উভয়পক্ষের শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার স্বার্থে গত ১৬/১১/২০২১ ইংরেজি তারিখে দেয়া আদেশে আমাদের প্রতিপক্ষ ভূমি সন্ত্রাসীদের পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত উক্ত জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে অলী আহমদ গং উল্টো আমাদেরকে উক্ত জমিতে প্রবেশে বাঁধা দিয়ে অবৈধভাবে তারা জমিতে প্রবেশ করতঃ আমাদের বিভিন্ন সম্পদ ও স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছেন। এছাড়া আমাদের নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। এমতাবস্থায় আমার পরিবার আমাদের নিজেদের জমি ফেরত পেতে এবং অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।