৭ জুলাই, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২১ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

টেকনাফের অপহৃত শিশুকে ১৪ দিন পর উদ্ধার করলো র‌্যাব

টেকনাফের অপহৃত সাকিবুল হাসান (০৭) নামে এক শিশুকে ১৪ দিন পর উদ্ধার করেছে র‌্যাব কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এসময় দু’ অপহরণকারীকে আটক করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। উদ্ধার হওয়া শিশু সাকিবুল হাসান টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বড়ডেইল এলাকার বাসিন্দা, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আমির হোসেনের পুত্র।
আটককৃতরা হলো টেকনাফের বাহারছড়া দক্ষিণ বড়ডেইল এলাকার মৃত মো. কাশেমের পুত্র মো. আমীন (২২) ও কলাতলী ঝরঝরি পাড়ার আক্তার হোসেনের পুত্র মো. আলা উদ্দীন (৩০)।


মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় র‌্যাব কক্সবাজার ক্যাম্প কার্যালয়ে এক প্রেস কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান বিষয়টি জানান।
অপহৃত শিশুর মা আয়েশা বেগম জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টার দিকে মাঠে খেলতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয় শিশু সাকিবুল হাসান। এরপর তিনদিন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে অজ্ঞাত মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন করে শিশু সাকিবুল হাসানকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানায় অপহরণকারীরা। তাকে ফিরে পেতে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা। না দিলে শিশুটিকে হত্যা করার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। এরপর বিষয়টি উখিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন। শেষ পর্যায়ে র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করেন শিশুটির মা। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ফের ফোন করে ৭০ হাজার টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা। আটক অপহরণকারীর একজন নিজ এলাকার বাসিন্দা হলেও তাকে চিনেন না বলে আয়েশা বেগম জানান।
আশেকুর রহমান রহমান জানান, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অপহৃত শিশু সাকিবুল হাসানের মা আয়েশা বেগমের (২৮) লিখিত অভিযোগ পেয়ে র‌্যাব শিশুটিকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। এরপর অপহরণকারীদের শনাক্ত ও তাদের অবস্থান জানার চেষ্টা করা হয়। এক পর্যায়ে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ফাঁদ পাতা হয়। এর অংশ হিসেবে অপহরণকারীদের দাবি মতো মুক্তিপণের টাকা নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় শিশুর মাকে কলাতলী পাঠানো হয়। র‌্যাব সদস্যরা তাকে অনুসরণ করতে থাকে। শেষে রাত দেড়টার দিকে দু’অপহরণকারীরা মুক্তিপণ নিতে আসলে সাদা পোশাকে উৎপেতে থাকা র‌্যাবের সদস্যরা তাদের হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে কলাতলীর ঝরঝরি পাড়ার আস্তানা থেকে শিশু সাকিবকে উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার আশেকুর রহমান রহমান বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অনুমান হচ্ছে আটককৃতরা অপহরণকারী চক্রের সদস্য। তাদের আরো লোক থাকতে পারে। এই ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে। আটক দু’ অপহরণকারীকে থানায় সোপর্দ করে মামলা দায়ের করা হবে।’

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।