মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফকে মাদক চোরাচালান ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশমুক্ত করতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন

শেয়ার করুন

shomoy
সীমান্ত জনপদ টেকনাফে বিজিবির উদ্যোগে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশরোধ কল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল খালেকুজ্জামান পিএসসি বলেছেন সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেলে টেকনাফকে চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ মুক্ত করে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। আর রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে সীমান্ত রক্ষী কোন জওয়ানের সম্পৃক্ততা থাকলে ছাড় দেওয়া হবেনা।
৩০ মার্চ সকাল ১১টায় টেকনাফ ৪২ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের সদর বিওপির এজাহার কোম্পানী মাঠে আয়োজিত সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বিষয়ক সভা ব্যাটেলিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল আবুজার আল জাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপাধিনায়ক আবু রাসেল ছিদ্দিকীর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজারের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল খালেকুজ্জামান পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ্ব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, এডিসি ডঃ অনুপম সাহা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদ, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মুজাহিদ উদ্দিন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মুহাম্মদ ইসলাম, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমান খোন্দকার ও সদর ইউপির চেয়াম্যান নুরুল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি, গণ-মাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধান অতিথি বলেন টেকনাফকে চোরাচালান,মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশমুক্ত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন উপরোক্ত কথা বলেন। গত ২০১৪ইং সালে ৩ হাজার ২শ রোহিঙ্গা স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয় এবং চলতি বছরের বিগত ৩ মাসে ১ হাজার ৬শ ১৯ জনকে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়। যা আনুপাতিক হারে গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। তাই আমরা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশরোধ করতে হবে। এছাড়া রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে জড়িত থাকার প্রমান পেলে যেই হোকনা কেন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

শেয়ার করুন