৩১ আগস্ট, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

টাকা জমানোর সহজ উপায়গুলো জেনে নিন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাধারণত আয়ের ১০-১৫ শতাংশ সঞ্চয় করতে হয়। তাঁদের মতে, এমন একটা তহবিল গঠন করতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি অনায়াসে তিন থেকে ছয় মাস কোনো উপার্জন ছাড়াই চলতে পারেন। এই পরিমাণ অর্থ জমাতে না পারলেও সমস্যা নেই। ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন। কাজটি কয়েক দফায় করা যেতে পারে। একটা সময় দেখবেন, ছোট ছোট লক্ষ্য আপনার বড় লক্ষ্য পূরণ করেছে।

স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয়

 
ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাব অবশ্যই খুলবেন। সেখানে প্রতি মাসে গিয়ে অর্থ জমা দেওয়া হয়তো আপনার কাছে বিরক্তিকর। এতে অভ্যস্ত হওয়াও কঠিন। সে ক্ষেত্রে আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে অন্য কোনো অ্যাকউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ জমা পড়বে—এমন ব্যবস্থা করে নিতে পারেন। তাহলে আর পেরেশানিতে পড়তে হবে না।

সঞ্চয়ী ক্লাব

 
এটাও সম্ভব। বাড়ির সব সদস্য মিলে অর্থ জমানোর লক্ষ্য নিন। সবাই মিলে একটা ক্লাব করে ফেলুন। এতে সঞ্চয়ের কাজটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে। সবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটা পরিমাণ অর্থ জমানোর লক্ষ্য নির্ধারিত হবে। কাজটা বন্ধুদের সঙ্গেও করা যায়। সব মিলিয়ে যে অর্থ জমা পড়বে, তাই হবে পরিবারের জরুরি মুহূর্তের তহবিল।

বাড়তি খরচ বাদ দিন

 
প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু খরচ রয়েছে, যা বাড়তি। প্রতিদিনের জীবনযাপনে নজর দিলেই অবাঞ্ছিত খরচের হিসাব খুঁজে পাবেন। আপনার অর্থ কী কী খাতে যাচ্ছে, তার একটা বিস্তারিত তালিকা করে ফেলুন। দেখবেন, সেখানে এমন অনেক বিষয়ে আছে, যা না হলেও আপনার চলে।

অপ্রয়োজনীয় জিনিসকে ‘না’

 
এখন কেনাবেচা কঠিন কোনো কাজ নয়। বাড়িতে যা দরকার নেই বা পুরনো হয়ে গেছে, তা বিক্রি করে দিন। বেশ কিছু অর্থ তো আসবেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।