২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় ভেঙে গেল বিয়ে

বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন। কনের বাড়িতে হাজির বরপক্ষ। কাজি বরের জাতীয় পরিচয়পত্র চাইলেন। কিন্তু বরপক্ষ তা দিতে পারল না। শেষ পর্যন্ত বিয়েটাই ভেস্তে গেল।
এ ঘটনা সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের উলুকান্দি গ্রামের। গতকাল রোববার এ গ্রামের বাছিত মিয়া মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু পাত্রপক্ষ বরের জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে না পারায় তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। পরে গ্রামেরই আরেকটি ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, বাছিত মিয়ার মেয়ের সঙ্গে আশারকান্দি ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের এক তরুণের বিয়ে ঠিক হয়। গতকাল যথাসময়ে হাজির হয় বরপক্ষ। কাজি হাফিজুর রহমান বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। তিনি বরের জাতীয় পরিচয়পত্র চান। বরপক্ষ জানায়, পরিচয়পত্র আনতে ভুলে গিয়েছে। পরিচয়পত্র ছাড়া বিয়ের কাবিন হবে না বলে ঘোষণা দেন কাজি। এ সময় বর ও কনেপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাছিত মিয়া বিয়ে ভেঙে দেন।
আবদুল বাছিত কৃষিকাজ করে সংসার চালান। তিনি বলেন, ‘যে ছেলের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁর কাছে মেয়ে বিয়ে দিই কী করে? বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। সন্ধ্যায় নিকট আত্মীয়ের ছেলের কাছে মেয়ের বিয়ে দিয়েছি।’
কাজি হাফিজুর রহমান বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া বিয়ের কাবিন করা যাবে না, বলার পরও বরপক্ষ তা আনতে পারেনি। পরে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়।
পাইলগাঁও ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সাহান আহমদ বলেন, সচেতনতার অভাবে এ রকম ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যাপারে সবার সচেতন হতে হবে।
সূত্র : প্রথম আলো

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।