২০ জুন, ২০২৬ | ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

চকরিয়ায় সড়ক বিভাগের কোটি টাকার জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণ

ckari

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া পুরাতন বাসষ্টেশন সওজ’র অধিগ্রহণকৃত কোটি টাকার জমি দখল করে বহুতল ভবন (মার্কেট) নির্মাণ করছে প্রভাবশালী একটি মহল। গত ২১ এপ্রিল সওজ বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের চারদিনের মাথায় ফের এ নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় সুত্র জানায়, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক লাগোয়া চকরিয়া পৌরশহরের চিরিঙ্গাস্থ পুরাতন বাস স্টেশনের পাশে সাবেক এবিপি হোটেলের আশপাশের এলাকাটি কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহনকৃত সম্পত্তি।
গত মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল সকালে হঠাৎ করে চকরিয়া পৌর শহরের পুরাতন বাসষ্টেশনে সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত ওই জায়গাটি জবরদখলে নিয়ে পৌরসভার কাহারিয়াঘোনার মরহুম মোস্তাক আহমদ খলিফার ছেলে মঈন উদ্দিন, নাজেম উদ্দিন, সেলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রভাবশালী একটি চক্র বহুতল ভবন (মার্কেট) নির্মাণ কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযান চালিয়ে দখলবাজদের কবল থেকে তাদের জায়গাটি দখল উচ্ছেদ করেন।
স্থানীয় লোকজন জানান, কাহারিয়াঘোনার মোস্তাক আহমদ খলিফার ছেলে নাজেম উদ্দিন গং সড়ক বিভাগের ওই জায়গার ভেতরের অংশে জনতা মার্কেট এলাকার মরহুম মোজাহের আহমদ কোম্পানীর কাছ থেকে ৬ শতক জায়গা ক্রয় করেন অনেক বছর আগে। ক্রয়কৃত জায়গায় এবিপি হোটেলসহ কয়েকটি দোকান থাকলেও বর্তমানে এসব স্থাপনা ভেঙ্গে তাঁরা নতুন করে একটি মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সুযোগে তাদের জায়গার সামনের অংশের সড়ক বিভাগের জায়গাটি জবরদখলে নেন প্রকাশ্য দিবালোকে। ব্যবধানে অভিযুক্ত প্রভাবশালী মহলটি প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে শনিবার থেকে ফের সেখানে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, নির্মাণ কাজ নিবিঘœ করতে চকরিয়া সড়ক বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান বন্ধে প্রভাবশালী মহলটি টাকার বিনিময়ে সওজ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করা হয়েছে। পৌরশহরে সরকারী কোটি টাকা মুল্যের জায়গা জবরদখলের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ চকরিয়া উপ-বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মো.শহিদুল ইসলাম বলেন, ২১ এপ্রিল উচ্ছেদ অভিযানের পর অভিযুক্ত নাজেম উদ্দিন গংকে সড়ক বিভাগের জায়গায় কোন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ না করতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, উচ্ছেদ নোটিশের পরও জড়িতরা সড়ক বিভাগের জায়গায় ফের স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছে। কয়েকদিনের মধ্যে পরিমাপ করে সেখানে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে খুটি পুঁেত দেওয়া হবে। এরপরও স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রাখলে সেখানে আবারও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

 

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।