১৪ জুন, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৭ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

চকরিয়ায় মামলার প্রধান আসামিকে বাদ দিয়ে আদালতে চাজসিট দাখিলের অভিযোগ বাদির!


চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী পুলিশ ফাড়ির তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মোহাম্মদ ইউনুছের বিরুদ্ধে মামলার তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন রোকসানা বেগম নামের এক নারী। তার বসতভিটার জায়গা দখলে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগে চকরিয়া থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্তকালে পুলিশের ওই কর্মকর্তা আসামি পক্ষের সাথে যোগসাজস করে মামলার প্রধান আসামিকে বাদ দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাদি রোকসানা।
মামলার আর্জিতে বাদি চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের বহদ্দারকাটা গ্রামের রফিউল কাদেরের স্ত্রী রোকসানা বেগম জানান, তাঁর বসতভিটার জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে গত ১৭ ফেব্রুয়ারী বিকাল আড়াইটার দিকে দলবল নিয়ে হামলা চালায় স্থানীয় মৃত সামসুল হক সিকদারের ছেলে আলমগীরসহ সহযোগিরা। ওইসময় বাড়িতে ঢুকে তাঁরা ব্যাপক ভাংচুর করে বাদিকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্ঠা করেন। এসময় তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পায়ের আঙ্গুল কেটে যায়। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারী চকরিয়া থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৪-৫জনকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে একটি মামলা (৫৬) দায়ের করেন।
মামলার বাদি রোকসানা বেগম জানান, মামলাটি রুজু করার পর থানার ওসি তদন্তের দায়িত্ব দেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মোহাম্মদ ইউনুছকে। তদন্তকালে কালে মামলার আইও পুলিশের ওই কর্মকর্তা অনিয়মের আশ্রয় নেন। তিনি বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তাকে বেশ কিছু টাকাও দেন যাতে মামলাটি সঠিক তদন্ত করেন।
বাদি রোকসানা বেগম স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানিয়েছেন, তাঁর চেয়ে আসামি পক্ষের লোকজন বেশি টাকা দেয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা কৌশলে তাকে অবগত না করে কৌশলে মামলার প্রধান আসামি আলমগীরকে বাদ দিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র (চাজসিট) দাখিল করেছেন। পরে তিনি আদালতে খোঁজ নিয়ে ওই আসামিকে বাদ দেয়ার সত্যতা নিশ্চিত হন। এ ঘটনায় আদালতে নারাজি আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদি রোকসানা বেগম।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।