২১ আগস্ট, ২০২৬ | ৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৭ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত

চকরিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে নিরীহ ব্যক্তিকে পুলিশের বেদড়ক পিটুনি, সোর্সকে গণধোলাই


চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে নিরীহ এক ব্যক্তিকে আটক করার পর বন্দুকের বাট দিয়ে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে থাকা সোর্স বেলাল উদ্দিনকেও (৩৫) উত্তেজিত জনতা ধরে গণপিটুনি দেয়। সেও গুরুতর আহত হয়। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দুইজনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার রাত আটটার দিকে ইউনিয়নের মাঝেরফাঁড়ি স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের পিটুনিতে আহত ব্যক্তির নাম মিনার উদ্দিন জিকু (২৮)। তিনি উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাঝেরফাঁড়ি গ্রামের বশির আহমদের ছেলে। জনতার পিটুনিতে আহত সোর্সের নাম বেলাল উদ্দিন (৩৫)। তিনিও একই এলাকার কবির আহমদের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাজমেস্ত্রী মিনার উদ্দিন জিকুকে বন্দুকের বাট দিয়ে বেধড়ক পিটুনি দেওয়ার সময় পুলিশের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ জনরোষ থেকে বাঁচতে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত সটকে পড়ে।
কাকারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মো. শওকত ওসমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন । তিনি বলেন, মিনার উদ্দিন জিকু নামের এক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা রয়েছে দাবি করে পুলিশ তাকে ধরতে গেলে এই লঙ্কাকা- ঘটে।
অভিযানে যাওয়া চকরিয়া থানার এএসআই আবদুর রাজ্জাক দাবি করেন, মিনার উদ্দিন জিকু নামের কাউকে পুলিশ বন্দুকের বাট দিয়ে পেটায়নি। এমনকি বেলাল নামের কোন ব্যক্তি সোর্স হিসেবে পুলিশের সঙ্গে ছিল না। আর পুলিশের কোন সদস্যও আহত হয়নি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।