মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

খুটাখালী রাবারড্যামে ফুটো বুরো চাষ নিয়ে চাষীরা শংকিত

শেয়ার করুন

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী রাবারড্যামে ছিদ্র (ফুটো) হওয়ার কারণে প্রায় ৪ শ হেক্টর জমির ১ হাজার চাষী চলতি বুরো মৌসুমের সেচ সুবিধা নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছে। সংশ্লিষ্ট চাষীরা বুরো ফলন নিয়েও শংকিত। অনেকে বিকল্প পানি সেচের পরিকল্পনা নিয়েছেন। যথাসময়ে রাবারড্যামের ছিদ্র (ফুটো) সংস্কার করা না হলে রোপিত এক তৃতীয়াংশ জমির বুরো আবাদ বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশংকা করছেন ছড়া পানি সেচ সুবিধা সংশ্লিষ্ট কয়েক শতাধিক চাষী এমনতর অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, বিগত ২০০৪ সালে তৎকালিন সরকার প্রায় কোটি টাকা ব্যায় করে ইউনিয়নের ফুলছড়িতে খুটাখালী ছড়ার উপর চাষীদের সেচ সুবিধার জন্য রাবারড্যাম নির্মাণ করেন। নির্মাণের পর থেকে ইউনিয়নের খাস ঘোনা, ফুলছড়ি বিল, হেতালিয়া পাহাড়, বাককুমপাড়া, দক্ষিণ বিল, কাঠালিয়া পাহাড়, চেয়ারম্যান পাড়া ও কান্তিবিলসহ একাধিক এলাকা পানি সেচ সুবিধার আওতায় আসে। এসব জমিতে খুটাখালী ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি প্রতি মৌসুমে সেচ সুবিধা দিয়ে আসছিল। বিগত ৬ মাস পূর্বে রাবার ড্যামের একই স্থানে বেশ ক‘টি ছিদ্র (ফুটো) দেখা দিলে তাৎক্ষনিক বিষয়টি ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দরা চকরিয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলীকে অবহিত করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রকৌশলী সম্প্রতি সরজমিন পরিদর্শন করে প্রাথমিক ভাবে ফুটো বন্ধ করে দেন। ছিদ্র (ফুটো) একাধিক জায়গায় হওয়ায় সংস্কারের কিছুদিনের পর ফের ছিদ্র (ফুটো) আরো বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির নিজস্ব অর্থায়নে কয়েক দফে ছিদ্র (ফুটো) বন্ধ করা হলেও তা দীর্ঘ সময় টিকেনি। বর্তমানে রাবারড্যামের ছিদ্র প্রকট আকার ধারণ করায় কিছুতেই পানি আটকানো যাচ্ছে না। সপ্তাহে ২/৩ বার রাবারড্যাম ফুলানো হলেও বেশ ক‘টি ছিদ্রের কারণে কিছুতেই ড্যাম ফুলিয়ে রাখা যাচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্পাদক মো: হুমায়ুন কবির।
খুটাখালী ছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সভাপতি সাবেক মেম্বার কুতুব উদ্দিন জানান, ড্যামের ছিদ্র (ফুটো) দিন দিন বড় হচ্ছে। সপ্তাহে তিনবার করে ড্যাম ফুলানো হয়। তার পরও ফুটো দিয়ে পানি সরে পড়ায় ড্যামে পানি আটকানো যাচ্ছে না। প্রাথমিক ভাবে তাদের সমিতির অর্থায়নে ছিদ্র বন্ধ করা গেলেও তা ব্যয়বহুল ও সময়ের দরকার বলে তিনি দাবী করেন।
কক্সবাজার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মনজুর আলম ছিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি তিনি খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন। স্থানীয় চাষীরা চলতি বুরো মৌসুমের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে জরুরী ভিত্তিতে রাবারড্যাম সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন