১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

খুটাখালীতে সাদা দানাদার ও পরিপক্ষ লবণ চাষ শীর্ষক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে সাদা দানাদার ও পরিপক্ষ লবণ চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে লবণ চাষী উদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স বৃহস্পতিবার (৬এপ্রিল)সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয় বিসিক কক্সবাজারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কোর্সে সভাপতিত্ব করেন ডুলা ফুলছড়ি লবণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রনজীব বড়–য়া।
বিসিক এসিসি কর্মকর্তা মো: মনজুর আলমের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয় বিসিক কক্সবাজারের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো: আবসার উদ্দিন। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উন্নতমানের সাদা দানাদার এবং পরিপক্ষ লবণ উৎপাদনে উদ্যোক্তা তথা চাষীদের উদ্বুদ্ধ করে বক্তব্য রাখেন খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রহমান। লবণ শিল্পের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন, বিসিক ভারপ্রাপ্ত সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিদওয়ানুর রশিদ, লবণ শিল্পের উন্নয়নে বিসিকের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন, সমন্বয় কর্মকর্তা মো: শামীম আলম, চাষী উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন হাজী আবদুল গফুর, এম জাফর আহমদ ও সাঈদ মোহাম্মদ শাহজালাল প্রমুখ। এসময় ডুলা ফুলছড়ির প্রায় অর্ধ শতাধিক লবণ চাষী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষনে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে বিসিক ডিজিএম মো: আবসার উদ্দিন বলেন, দেশে লবণ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জন করা এবং বিদেশ হতে লবণ আমদানী বন্ধ করতে ৬৩ হাজার একর জমিতে ১৮ লক্ষ মে:টন পরিশোধিত লবণ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কালো লবণ উৎপাদনে লবণ মাঠ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লবণের সাথে মিশ্রিত কাদা দ্বারা মিল এলাকার নদ নদী ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। যা পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। কাজেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিসিক উদ্ভাবিত পলিথিন পদ্ধতিতে মানসম্মত সাদা দানাদার ও পরিপক্ষ লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের লবণের চাহিদা পুরণ করার জন্য লবণ চাষী উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে রনজীব বড়–য়া বলেন, লবণ চাষীদেরকে ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণ করেন। এ ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা বেশি। ব্যবসায়ীরা যদি সহযোগীতা করেন তাহলে মানসম্মত পরিপক্ষ লবণ উৎপাদন করা সম্ভব। লবণের ঘাটতি ও স্থানীয় বাজার দর ধরে রাখার জন্য পরিপক্ষ লবণ উৎপাদনের বিকল্প নেই বলে তিনি দাবী করেন।
প্রশিক্ষণ কোর্সে অন্যান্যদের মধ্যে গোমাতলী লবণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, সহকারী মো: ইসকান্দর ও ডুলাফুলছড়ি লবণ কেন্দ্রের সহকারী মো: নাছির উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।