৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কেউ আক্রমণ করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হতে চাই না। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য-সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়। কিন্তু কেউ যদি আক্রমণ করে তাহলে সেই আক্রমণের সমুচিত জবাব দেয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুতি সবসময় থাকবে।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় সাবমেরিন ‘জয়যাত্রা’ ও ‘নবযাত্রা’ কমিশন প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবমেরিনের প্রথম ক্রুদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাস বীরের ইতিহাস। কাজেই আমি বিশ্বাস করি আপনারা নিজের মেধা ও পেশাগত কসরতের মাধ্যমে নৌবাহিনীর এই আধুনিক অভিযাত্রায় সফল হবেন। দেশের সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও প্রতিরক্ষায় নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ’৭৫-এর পর যারা সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতায় এসেছে তারা দেশ ও জাতির জন্য কিছুই করেনি। দেশের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেয়নি।

তিনি বলেন, আমরা স্থলসীমান্ত ও সমুদ্রসীমার অধিকার সংরক্ষণে সক্ষম হয়েছি। ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত এবং ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমার অধিকার ছিনিয়ে এনেছি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দৃড় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ড নিরাপদ রাখব। এই ভূখণ্ড ব্যবহার করে আমরা কাউকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে দেব না। সেজন্য সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী পরে ত্রিমাত্রিক ফোর্স হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বিএনএস বঙ্গবন্ধু এবং নৌ-কমান্ডোদের একটি মহড়াও প্রত্যক্ষ করেন। দুটি হেলিকপ্টার এবং দুটি এমপিএ বিমানও মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সাবমেরিন রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় সহায়তার জন্য স্থাপনার উদ্বোধন এবং বিএনএস শেখ হাসিনা নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সাবমেরিন ঘাঁটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর ওপর একটি প্রামাণ্য চিত্রপ্রদর্শন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনী প্রধান, সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে চীনের বন্দর থেকে সাবমেরিন দুটি গত ২২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে আসে এবং ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। দালিয়ান শহরের লিয়াওনিং প্রদেশের শিপইয়ার্ডে এক অনুষ্ঠানে চীন সরকারের পক্ষে রিয়ার এডমিরাল লিউ জিজো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন আহমেদের কাছে ডুবোজাহাজ দুটি হস্তান্তর করেন।

ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন দুটি ৭৬ সে.মি. লম্বা এবং ৭ দশমিক ৬ মিটার প্রশস্ত এবং অত্যাধুনিক টর্পেডো ও মাইন সজ্জিত। সাবমেরিন দুটির সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭ নটিক্যাল মাইল এবং এর ওজন ১ হাজার ৬০৯ টন।

আইএসপিআর জানায়, সাবমেরিন দুটি পরিচালনার জন্য দুই দেশের নৌবাহিনীর সদস্যদের ট্রায়াল এবং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।