মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

করোনায় ভয়াবহ বিপর্যয়ে কক্সবাজারের পোল্ট্রি শিল্প, দিশাহারা সহস্রাধিক খামারি

শেয়ার করুন

শাহীন মাহমুদ রাসেলঃ করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে পর্যটন শহর কক্সবাজারের খাবার হোটেল, মিষ্টির দোকান ও বেকারিসহ অনান্য খাবারের দোকান। যে কারণে চাহিদা কমে গেছে মুরগির ডিম ও গরুর দুধের। কিন্তু উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। কক্সবাজার জেলায় মাসে এক কোট ৫৮ লাখ পিস ডিম ও ৭ হাজার ৩০০ টন দুধ উৎপাদন হয়। যার অর্ধেকই বিক্রি হচ্ছে না। নেমে গেছে ডিমের দামও। এ অবস্থায় অনেক খামারি গাভীর বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছেন দুধ।

সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়া খামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রশিদ পোল্ট্রি ফার্ম ও রাসেল ডেইরি ফার্মের পরিচালক মাহিউদ্দিন সোহেল জানান, লেখাপড়া শেষে চাকরির খোঁজে না গিয়ে শুরু করেন মুরগি ও দুগ্ধ ফার্মের ব্যবসা। তার মুরগির ফার্ম থেকে প্রতিদিন ডিম আসে ৩ হাজার পিস।

আর দুধ ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার, যা দিয়ে ১০ জন শ্রমিকসহ নিজের পরিবারের খরচ বহন করেন। চাহিদা না থাকায় তার উৎপাদিত দুধের বেশির ভাগই খাওয়াচ্ছেন গাভীর বাচ্চাকে। আর ৮ টাকা পিসের ডিম বিক্রি করছেন ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা। এতে মারাত্মক লোকসান গুনতে হচ্ছে তাকে। তিনি জানান, তার এই প্রতিষ্ঠান গড়তে গিয়ে তাকে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে তাকে পথে বসতে হবে।

একই কথা জানান আরেক মুরগির ফার্মের পরিচালক জামাল। তিনি জানান, তাদের ডিমের দাম পড়ে গেছে। ক্রেতা নেই। হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় তার ফার্মের মুরগির চাহিদাও কমেছে।

রামু ফঁতেখারকুল ইউনিয়নের রাশেদ পোল্ট্রি ফার্ম ও লেয়ার খামারের স্বত্বাধিকারী রাশেদ হোসেন জানান, তার দুটি খামারে প্রতিদিন দুই হাজার করে চার হাজার ডিম আসে। এক একটি ডিমের উৎপাদন খরচ প্রায় ৬ টাকা। কিন্তু এখন ৫ টাকা করেও বিক্রি করতে পারছেন না। এছাড়া এ মুহূর্তে সময় মতো খাদ্য ও ভ্যাকসিন পাচ্ছেন না। খাদ্য পেলেও বেড়ে গেছে খাদ্য বহন করা ট্রাকের ভাড়া।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদুল আলম জানালেন এ অবস্থা জেলার ছোট-বড় ৯৪২টি দুগ্ধ খামারি ও ৯৬৭টি মুরগির খামারির। বিষয়টি সরকারের নজরে আছে করোনার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার পর তাদের ক্ষতিপূরণের বিষটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।

তবে এই সময়ে তাদের উৎপাদিত এ দুধ ডিম ও মাংস সরবরাহের ব্যবস্থাসহ করোনায় উত্ত ক্ষতিপূরণের দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন