২১ জুন, ২০২৬ | ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

করোনার বন্ধে ব্যবসায়ীর বাসা থেকে সহায় সম্পদ লুটে নিল সংঘবদ্ধ চোরেরদল!

ইমাম খাইর, কক্সবাজার
কক্সবাজার শহরের বাজারঘাটা মসজিদ রোডের ‘জসিম পুষ্প বিতান’-এর মালিক জসিম উদ্দিনের চাউল বাজার মদিনা মঞ্জিলের ভাড়া বাসায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এতে ৭ ভরি স্বর্ণ, নগদ সাড়ে ৭ লাখ টাকাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুটে নেয় সংঘবদ্ধ চক্র।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাসায় গিয়ে এই চিত্র দেখেন জসিম ও তার স্বজনেরা।

তাৎক্ষণিক গণমাধ্যমকে খবরটি জানিয়েছেন জসিমের বড় ভাই শফিউল হক।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন জানান, করোনা পরিস্থিতিতে দোকানপাট বন্ধ থাকায় তারা গ্রামের বাড়ি সদরের খুরুশকুলের কাউয়ার পাড়ায় চলে যান।
স্বপরিবারে সেখানেই অবস্থান করছেন।
তবে, মাঝেমধ্যে বাসার খোঁজখবর রাখেন। ৫ দিন আগেও বাসায় গিয়েছিলেন। তখন সব ঠিকঠাক ছিল। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বাসায় ঢুকে দেখেন, সব তছনছ। আলমারি ভেঙেচুরে সব নিয়ে গেছে।

তার দাবী- যাওয়ার সময় আলমারিতে কিছু অনেক দামী কাপড়চোটড়, ৭ ভরি স্বর্ণ ও ব্যবসার সাড়ে ৭ লাখ টাকা ছিল। এখন সব শূন্য।

জসিম উদ্দিন খুরুশকুলের কাউয়ার পাড়ার বাসিন্দা মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।

ভবন মালিকের নাম মোঃ সায়দুল হক।

চুরির ঘটনার সঙ্গে বাড়ির মালিকপক্ষের ৫ জনের যে কারো যোগসাজশ থাকতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখলে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে, এমনটি জানিয়েছে চাউল বাজার এলাকার বাসিন্দারা। অন্যান্য ভাড়াটিয়ারাও এমন সন্দেহ করছে।

এদিকে, করোনার বন্ধে শহরের বাসাবাড়িতে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে চুরির ঘটনা। অভিযোগ মিলছে প্রায় প্রতিদিন। এতে ভাড়াটিয়াদের মাঝে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ খায়রুজ্জামান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।