২ মে, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৪ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

কক্সবাজার সাগরে দীর্ঘ ৬৫ দিন পর নিষেধাজ্ঞা উঠলো, মৎস্য শিকারের জন্য প্রস্তুত ট্রলার

ওসমান আল হুমাম:
আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে মহাখুশি সাগর উপকূলে হাজার হাজার মৎস্যজীবী মানুষ। তাই আজ থেকেই সাগরে মাছ শিকারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে শত শত নৌযান।
এতে করে জেলে পাড়াতে খুশির ফোয়ারা বিরাজ করছে।

সরকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নে গত ২০মে থেকে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কক্সবাজার সাগর, ও আশেপাশে বড় বড় নদীতে । আজ বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই ফের চালু হচ্ছে মৎস্য শিকার।

একজন জেলে জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা আমরা পালন করেছি। দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রে যায়নি, অনেকের খুব কষ্টে দিন কেটেছে, তার উপর করোনা দূর্যোগ। সব মিলিয়ে অনেক দুঃখ-কষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন যাপন করতে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার ফিশারি ঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র দেখা গেছে শত শত ফিশিংবোট সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করেছেন বোট মালিক ও জেলেরা।

আরো জানান, আজ রাত থেকে আমরা মাছ শিকারে বের জেলারা। দীর্ঘ দিন শেষে সাগরে শিকারে যাচ্ছি খুব খুশিও লাগছে।

কক্সবাজার মৎস্য কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব আবু জানান, দীর্ঘদিন ধরে মৎস শিকার বন্ধ থাকায় অনেকে হতাশা ও কষ্টে দিন যাপন করতে হয়েছিল, এখন তা দূর হবে।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো খালেকুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে মাঝি-মাল্লারা মাছ শিকারে যেতে পারবেন।

কয়েকজন বোট মালিক জানান নিষেধাজ্ঞা ও করোনা লকডাউন সময়ে জেলেদের ভরন পোষনের জন্য তাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। আল্লাহর উপর ভরসা করে বৃহস্পতিবার রাতেই তারা সাগরে বোট পাঠাবেন মাছ শিকারের জন্য।

এ বিষয়ে মৎস বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাগরে মৎস্য শিকারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারত- মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের সাথে যৌথ সিদ্ধান্তে নেয়া দরকার। তা না হলে আমাদের নিষেধাজ্ঞার সময় তারা মাছ শিকার করে নিলে কিছুই করার থাকেনা।

কক্সবাজার সাগর উপকূলে পাঁচ সহস্রাধিক জেলের সাথে তিন লক্ষাধিক সাগর উপকূলের মানুষ মৎস্য নির্ভর। লকডাউন ও নিষেধাজ্ঞার সময় তাদের ব্যাপক ভোগান্তি হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।