২ জুলাই, ২০২৬ | ১৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কক্সবাজার সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শামসুদ্দিন আর নেই, চকরিয়ায় আজ জানাজা

 


কক্সবাজার সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ প্রফেসর শামসুদ্দিন ইন্তেকাল করেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহির রাজিউন। মৃত্যুকালে তাহার বয়স ছিল ৮২বছর। তিনি সোমবার বিকাল ৫টায় চট্টগ্রামের হালিশহর কে ব্লকস্থ নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত রোগে মৃত্যু বরণ করেন। প্রফেসর শামসুদ্দিন চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড পূর্বকাকারা গ্রামের মরহুম শের আলীর পুত্র। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় মরহুমের গ্রামের বাড়ি চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের পূর্বকাকারা জামে মসজিদ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে ২ছেলে ২ মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।
পারিবারিক সূত্রে জানায়, মরহুম অধ্যক্ষ মো: শামসুদ্দিন ১৯৬৩সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে কক্সবাজার সরকারী কলেজ, সিলেট এমসি কলেজ, চট্টগ্রাম সিটি বিশ^বিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম সরকারী কলেজ, চট্টগ্রাম মহসিন কলেজে প্রফেসর ছিলেন। এরপর সন্ধীপ সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ এবং কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ’র দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় ১৯৯৬সালে চাকুরী থেকে অবসর নেন।
সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের শিক্ষক হওয়ায় অবসরে থাকা অবস্থায় তিনি সালাহউদ্দিন আহমেদর অনুরোধে পেকুয়া শহীদ জিয়া উপকূলীয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জীবদ্দশায় তিনি পূর্ব কাকারা জামে মসজিদের নামে ৩কানি জমিও দান করেন। মরহুমের বড় ছেলে আবু রাশেদ মোহাম্মদ শের আক্তার (সাথী) একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।