২ মে, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৪ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

কক্সবাজারে সী-ইন পয়েন্টে ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি দখলমুক্ত

আরফাতুল মজিদঃ কক্সবাজারের কলাতলী সী-ইন পয়েন্টে প্রায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি জমি দখলমুক্ত করলো প্রশাসন। একমাস আগে থেকেই একটি চক্র গভীররাতে প্রায় ১০০ শতক জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. সাইফুল ইসলাম জয়ের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে উক্ত জমি দখলমুক্ত করা হয়। এসময় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের নেতৃত্বকারী নুর মোহাম্মদ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, সী-ইন পয়েন্টের পাশে প্রায় ১০০ শতক সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে একটি চক্র। গত একমাস ধরে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। জায়গার চারপাশে বাঁশের বেড়া ও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। এসবের আড়ালে ইটের স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। সোমবার সকালে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

তিনি বলেন, একটি চক্র প্রশাসন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে জমি দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। তবে এখনো জড়িতদের সঠিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কারা এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে জড়িত তাদের সঠিক পরিচয় বের করা হবে। পরিচয় পাওয়া গেলেই আইনের আওতায় আনা হবে তাগের। এছাড়া ১০০ শতক জমিটি স্থায়ীভাবে রক্ষা করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

স্থানীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, সী-ইন পয়েন্টের ব্যবসায়ী ফরিদুল আলম, লালু ও কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছারের নেতৃত্বে একটি চক্র এসব স্থাপনা নির্মাণ করছে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে। নুর মোহাম্মদ নামে একব্যক্তি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছে। গত একমাস ধরে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু এই একমাসেই বন বিভাগ ও এসিল্যান্ড কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করেছিল। তারা উচ্ছেদ করার পরপরেই ফের দখলে নেন চক্রটি। এতোমধ্যে ওই জায়গায় বনবিভাগের প্রায় ১০টি মতো ঝাউগাছও কেটে সাবাড় করা হয়েছে।

এবিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিন বনবিভাগের কক্সবাজার সদর রেঞ্জ অফিসার হারুন অর রশিদ বলেন, এতোমধ্যে বনবিভাগ দুই বার অভিযান পরিচালনা করে সী-ইন পয়েন্টের ওই জায়গায়। তারমধ্যে গত একসপ্তাহ আগেই উচ্ছেদ করে কাটা তাঁরের বেড়া দেয়া হয়েছিল। কিন্তু দখলকারীরা তা তোয়াক্কা করে না। সর্বশেষ দুই দিন আগেও অভিযান চালিয়ে ৩টি ঝাউগাছ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা গাছ গুলো কেটে পাশের একটি ডোবাতে ফেলে রাখে। ওখান থেকেই গাছ গুলো উদ্ধার করা হয়। এবিষয়ে অবৈধ দখলকারী ও গাছ কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।