১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

কক্সবাজারে তিন হাজার পাহাড় কেটে ফেলার পরও চুপ প্রশাসন

কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলায় বিগত ১৫থেকে ২০  বছরে  তিন হাজার পাহাড় গিলে ফেলেছে বনখেকোরা। লাখো লাখো বনের গাছ কেটে প্লট বানিয়ে, বসতি স্থাপন করে কক্সবাজার বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে ওই গোষ্ঠীটি। এছাড়া রোহিঙ্গাদের বসত স্থাপনে উজাড় হয়েছে ৮ হাজার একর সংরক্ষিত বনাঞ্চল। ফলে আবাসস্থল হারিয়েছে  বনপ্রাণি। এর পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। বেশিভাগ সময় প্রশাসন থাকে নিশ্চুপ।
শনিবার  কক্সবাজারে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনায় সভা ও পরিবেশ বিষয়ে কাজ করা সবুজ আন্দোলনের কক্সবাজার জেলা শাখার অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্যরা এ কথা বলেন।
কক্সবাজার শহরের একটি অভিজাত রেস্তোঁরায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার বলেন, পাহাড় ও বনাঞ্চল ধংসর কারনে এখন আর গাছ লাগিয়ে কক্সবাজারে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব না। কারণ কক্সবাজারে বহুমুখী পরিবেশের বিপর্যয় ঘটেছে। বিপুল পরিমাণ গাছ লাগানোর পাশাপাশি আমাদেরকে দোষণ রোধে কাজ করতে হবে।মানুষের মাঝে সচেতনা বাড়াতে হবে।না হয় আমাদের জন্য দেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে যা আমাদের কল্পনার বাইরে।
তিনি বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি রয়েছে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হলে দেশের এক মাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনও যে কোন সময় তলিয়ে যেতে পারে।
বক্তব্যরা বলেন, পরিবেশ বিপর্যয়ের ও
মারাত্মক বায়ুদূষণের কারনে সারাদেশের মতো কক্সবজারেও  প্রতিনিয়ত অ্যাজমা (হাঁপানি), ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি রোগ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সারসহ মারাত্মক সংক্রামক রোগে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। দেশে প্রতিদিন আড়াইশো জনের বেশি মানুষ  ক্যান্সার আকান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে।
অথচ একটা সময় সারাদেশ থেকে কক্সবাজারে মানুষ ভ্রমণে আসতো  বিশুদ্ধ  বাতাশ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য। কিন্তু পরিবেশ বির্যয়ের কারনে এখন কক্সবাজারে বাতাশে বিষ এবং পানিতে ক্ষতিকর ব্যাকরিয়া।
সবুজ আন্দোলনের কক্সবাজার জেলা সদস্য সচিব আজাদ ইসলাম ও  যুগ্ম আহবায়ক সাংবাদিক আমানুল হক বাবুলের সঞ্চালনায় অভিষেক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার আহবায়ক অধ্যাপক নুরুল আমিন সিকদার ভুট্টো। অনুষ্ঠানে  উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্যাশা বাংলাদেশ এর  প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান  আব্দুল্লাহ আল মামুন,    প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএ টিভির চট্রগ্রামের বিভাগীয় প্রধান কাজী হুমায়ুন কবির।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: মাহতাব হোসাইন মাজেদ , সবুজ আন্দোলনের জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক জসিম উদ্দিন, ফাতেমা আনকিছ ডেইজি প্রমুখ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।