৬ জুলাই, ২০২৬ | ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কক্সবাজারে ছেলের দেয়া আগুনে মায়ের মৃত্যু

কক্সবাজার সদরের পোকখালীর গোমাতলীতে নিজ বাড়িতে ছেলের দেয়া পেট্রলের আগুনে মা নুরবানু বেগম (৬৭) মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এর আগে একই ঘটনায় নুরবানুর ছেলে জসিম ও নাতি রিদুয়ান মারা যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কলিম উল্লাহ জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছেলে মো. রশিদ ভোলাইয়া তার আপন বড় ভাই প্রবাসী জসিমের কক্ষের জানালা দিয়ে পেট্রল ছুড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সে সময় কক্ষের ভেতরে তার মা নুরবানু বেগম (৬৭), ভাবি অন্তঃস্বত্তা আশেকুন্নাহার (১৯), ভাতিজা রিদুয়ান ও ভাই জসিমকে রেখে বাইরে থেকে দরজা আটকে রাখে।

এ সময় তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে চারজনকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়ার মালুমঘাট খ্রিস্টান হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়।

সেখানে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জসিম ও ২৪ ফেব্রুয়ারি রিদুয়ানের মৃত্যু হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার মা নুরবানু বেগমও মারা গেলেন।

এ ঘটনায় জসিমের আরেক ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে রশিদ ভোলাইয়াকে আসামি করে মামলা করেছেন।

চিকিৎসাধীন আশেকুন্নাহারও আশংকামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান জানান, আগুন দেয়ার ঘটনায় জসিমের মা বৃহস্পতিবার মারা গেছেন বলে মেম্বার আমাকে জানিয়েছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।