১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকবাহি বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত-৩

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কক্সবাজার সৈকতের মেরিন ড্রাইভ সড়কে পর্যটকবাহি বাসের সাথে যাত্রিবাহি সিএনজি টেক্সীর মুখোমুখী সংঘর্ষে চালকসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। এসময় আরো আহত হয়েছেন সিএনজির অপর চার যাত্রি। রামুর খুনিয়াপালং প্যাঁচারদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে।
মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হালিম দূর্ঘটনার তথ্যটি জানিয়ে বলেন, ঘাতক বাসটি জব্দ করেছে রেজুখাল এলাকায় বসা বিজিবি যৌথ চেকপোস্টে দায়িত্বরতরা। আর দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সিএনজিটি জব্দ করেছে হিমছড়ি পুলিশ।


নিহতরা হলেন, টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর পুরানপাড়া এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে সিএনজি চালক নুরুল আবছার (২৬) ও মৃত হাজি সিকান্দারের ছেলে ছৈয়দুল ইসলাম (৫৫)। বাকি একজনের নাম ঠিকানা কেউ দিতে পারেনি। তিনজনের মাঝে চালকসহ দু’জন স্পটে এবং বাকিজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মারাযান বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হালিম প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানান, পর্যটক বোঝাই ইনানী অভিমূখী বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৫২৮) মেরিন ড্রাইভ সড়কের প্যাচারদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় আসলে কক্সবাজার অভিমূখী কক্সবাজার-থ-১১-২৪৬৪ নাম্বারধারী সিএনজি টেক্সীর মুখোমূখী সংঘর্ষ লাগে। এতে সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে মারাযান চালক আবছার ও অজ্ঞাতনামা এক যাত্রী। সিএনজিতে থাকা বাকি চার যাত্রিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে পৌছানোর পর পরই মারা যান ছৈয়দুল ইসলাম। বাসের হেলপারকে আটক করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় পযটন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম ও ওয়াহিদ রুবেল বলেন, সরু ও অপরিচিত রাস্তা হলেও বেপরোয়া গতিতে চলছিল পর্যটকবাহি বাসটি। আর সিএনজিটিও পাঁচ জনের স্থলে যাত্রি নেয় ছয় জন। ফলে স্কুলের সামনে ব্রীজটি পার হতে গিয়ে বাস ও সিএনজিটি মুখোমুখী সংঘর্ষে পড়ে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে মারাযান চালক ও এক যাত্রি। রিপোর্ট লেখাপর্যন্ত (বেলা সোয়া ১টা) স্পটে নিহতদের মরদেহ দূর্ঘটনাস্থলে রয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরোজুল হক টুটুল তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ টীম পাঠানো হয়েছে। দূর্ঘটনা কবলিত সিএনজি ও বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেয়া হচ্ছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।