২৫ জুন, ২০২৬ | ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৯ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

কক্সবাজারের এসএমপাড়ার আদম পাচারকারী সরওয়ার ধরা ছোঁয়ার বাইরে

আদম পাচারে অভিযুক্ত কক্সবাজার শহরের এসএমপাড়ার অধিবাসি ওসমান সরওয়ারকে এখনো আটক করা যায়নি। সে প্রকাশ্যে থাকলেও পুলিশ তাকে খুজে পাচ্ছে না। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের নীচতলায়, পাসপোর্ট অফিসের সামনে তাকে প্রায় সময় ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র।
সুত্র জানায়, তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও আদম পাচারের ব্যাপারে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে। যদিও আদম পাচারের সাথে অভিযুক্ত সরওয়ারকে এখনো আইনের আওতায় আনা যায়নি। সম্প্রতি সরকার আদমপাচারকারীদের বিরুদ্ধে সাড়াশী অভিযান চালালে আদম পাচারকারী ওসমান সরওযার কিছুদিন গা ঢাকা দিয়েছিল।
সময় পার হওয়ার সাথে সাথে অনেককে ম্যানেজ করে আবার সে প্রকাশ্যে আসে। হঠাৎ থেকে কাঠ মিস্ত্রি থেকে লাখপতি ও ক্ষমতাসীন দলে বড় নেতা বনে যায়। বর্তমানে নিজেকে কখনো পৌর আওয়ামী লীগ নেতা, আবার কখনো স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ।
সুত্রে আরো জানা যায়, আদমপাচারকারী সিন্ডিকেটের সদস্য সরওয়ার বিনা পয়সায় মালয়েশিয়ায় নেয়ার কথা বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সহজ সরল লোকদেরকে জড়ো করে এসএমপাড়া এলাকার নিকটবর্তী ছনখোলা ঘাট দিয়ে আদম পাচারের মুলহোতা হিসেবে কাজ করতো বলে অভিযোগে জানা গেছে। এখনো আদমপাচারের সাথে জড়িত গডফাদারদের সাথে ওসমান সরওয়ারের সাথে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। সম্প্রতি তার অপকর্মের খবর স্থানীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হলেও সে রয়ে গেছে অধরা। বর্তমানে সে বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিকটাত্মীয় পরিচয়ে ভুঁয়া জন্ম সনদ ও জাতীয়তা সনদ নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পাসপোর্ট অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজশে পাসপোর্ট তৈরীর কাজে লিপ্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য ইতোপূর্বে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে সে এলাকার নিরীহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকার মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অনেককে ঘরছাড়া করার অভিয্গোও রয়েছে। তার প্রতারণার খপ্পরে পড়ে আদালতপাড়ায় বিআরটিএ অফিসে সিএনজি গাড়ির ফিটনেস ও রোড পারমিট করতে আসা লোকজন প্রতারণার শিকার হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী মহল বিভিন্ন প্রতারণার সাথে জড়িত সরওযারকে অবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।