মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

একক চীন নীতি বদলাতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

শেয়ার করুন

483208412-real-estate-tycoon-donald-trump-flashes-the-thumbs-up-jpg-crop_-promo-xlarge2-696x497

তাইওয়ানকে উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের একক চীন নীতি থাকা উচিত কিনা সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ বলে মনে করে চীন।
চীনের নীতিমালায় তাইওয়ান এখনো তার নিজের মুল ভূখণ্ডেরই অংশ।
কিন্তু এক টেলিভিশন সাক্ষাতকারে মি. ট্রাম্প বলেছেন একক চীন নীতি মানতে যুক্তরাষ্ট্রের বাধ্য থাকা উচিত নয়।
তিনি বলেন চীনের কাছ থেকে কোন ধরনের বাণিজ্যিক ছাড় না পেলে এ নীতির গ্রহণযোগ্যতা নেই।
কদিন আগে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সাথে মিস্টার ট্রাম্প টেলিফোনে আলাপ করেছিলেন।
আর শুধু এই ফোনালাপেই কূটনৈতিক প্রতিবাদ করেছিলো বেইজিং।
মি ট্রাম্প অবশ্য এ সম্পর্কে বলেছেন তিনি কার সাথে ফোনে কথা বলবেন সেটা চীন নির্ধারণ করে দিতে পারে না।
এখন তাইওয়ানকে আবারো আলাদা একটি রাষ্ট্র হিসেবে মার্কিন সরকার যদি স্বীকৃতি দিয়ে বসে তাতে চীনের দিকে থেকে কেমন প্রতিক্রিয়া হবে সেনিয়ে আশংকা তৈরি হয়েছে।
১৯৭৯ সালে তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র।
এর বদলে তাইওয়ানকে চীনের অংশ হিসেবে ধরেই একক চীন নিতিমালা অনুসরণ করছিলো যুক্তরাষ্ট্র।

বিবিসি

শেয়ার করুন