২৬ জুলাই, ২০২৬ | ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১১ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ

উখিয়া-টেকনাফে ১৬ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারকে ত্রাণ বিতরণের সিদ্ধান্ত

মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের প্রদত্ত ত্রাণ সামগ্রী বহনকারী জাহাজ এমবি নটিকেল আলিয়া গত সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙ্গর করেছে। উক্ত ত্রাণ সামগ্রী উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাঝে সুষ্ঠু বিতরণকল্পে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাইফুল ইসলাম মজুমদারের সভাপতিত্বে ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি সভা অনুুষ্ঠিত হয়।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সাইফুল ইসলাম মজুমদারকে আহ্বায়ক ও কক্সবাজার ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মো: মনিরুল হককে সদস্য সচিব করে উখিয়া-টেকনাফে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়। উখিয়া উপজেলা ত্রাণ বিতরণ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) ছাউলাউ মারমা, রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধূরী, খাদ্য কর্মকর্তা সুনিল দত্ত ছাড়াও কমিটিতে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, বিজিবি, এনএসআই, ডিএসবি, চিকিৎসক প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।

প্রস্তুতি সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম মজুমদার বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক রোহিঙ্গা উদ্ধাস্তদের জন্য ২ হাজার একশত টন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী দিয়েছে। এনজিও সংস্থা শেড, মুক্তি কক্সবাজার ও আইওএম এর মাধ্যমে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে। ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রাখার ব্যাপারে সম্ভাব্য স্থানও নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের এসব ত্রাণ সামগ্রী সুষ্ঠু বিলি বন্টন করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য ১৩টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে পারে। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে স্বচ্ছতা উপস্থাপন করতে পারলে এদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরো ত্রাণ সামগ্রী তারা বরাদ্ধ দিতে পারে। সেজন্য তিনি ত্রাণ বিতরণকালে সবাইকে আন্তরিকতার সহিত দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেন। তিনি আরো বলেন, বালুখালী ও কুতুপালং বস্তিতে প্রাথমিক ভাবে ১৬ হাজার উদ্বাস্তুদের মাঝে ১৫ শত টন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী বিতরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তুরস্ক ভিত্তিক তার্কি দিয়ানেত ভাকফি (টিডিভি) ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় পুতেরা ওয়ান মালেশিয়া ক্লাব ও মালেশিয়ান কান্সালটেটিভ কাউন্সিল অব ইসলামিক অরগনাইজেশন(এমএপিআইএম) রোহিঙ্গাদের জন্য এসব ত্রাণ সামগ্রী জাহাজে করে সরবরাহ দেওয়ার কাজটি করেছে। ত্রাণ সরবরাহের জন্য জাহাজটিতে ১৩ দেশের প্রায় ২৩৭ জন চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বেসরকারি সাহায্য সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন।

এপ্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈন উদ্দিন জানান, মালেশিয়া প্রদত্ত ত্রাণ সামগ্রী সুষ্ঠু বন্টনের জন্য কমিটি করা হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।