১২ জুলাই, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৬ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

উখিয়ায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ শীর্ষক মতবিনিময় সভা

Ukhiya Pic- 15
কক্সবাজারের উখিয়ায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করণ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫ টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল বিশ্বাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষনিক সদস্য কাজী রিয়াজুল হক। বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট আব্দুস সোবহানউখিয়া থানার ওসি জহিরুল ইসলাম খান, উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, এনজিও কর্মী সাইফুল ইসলাম কলিম, বশির আহমদ, মানবাধিকার সংস্থা পিসওয়ে হিউম্যান রাইটস সোসাইটির পক্ষকে বাহার উদ্দিন, জালিয়াপালং ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি শহিদুল্লাহ কায়সার, উখিয়া উপজেলা মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ। উক্ত সভায় এনজিও কর্মী বশির আহমদ বলেন, গত ১ মাসে উখিয়ায় ১৭৮ জন নিখোঁজের সন্ধান পায়। ৩২ জন পাচারকারীর মধ্যে স্থানীয় জন প্রতিনিধি, প্রভাবশালী ও বেশ কয়েক সংবাদকর্মীর নাম তালিকায় রয়েছে। মালয়েশিয়া থেকে ফেরত আসা ৬ জনকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেন। প্রধান অতিথি বলেন, দারিদ্র, শিক্ষা অজ্ঞতার কারণে মানবপাচার বেড়েছে। দেশে এখনো পর্যন্ত যুবকদের জন্য ব্যাপক হারে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেনি সরকার। তাই জীবনের ঝুকি নিয়ে সাগর পথে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলো আরো বেশী দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানান। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসে কক্সবাজারকে মানবপাচারের নিরাপদ ঘাটি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। দেশ অনেক এগিয়ে গিয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে দালালদের খপ্পরে পড়ে মালয়শিয়া না যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। শীঘ্রই কক্সবাজারের আক্রান্ত উপজেলা সমূহ গুলোতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনারের পক্ষ থেকে জনসচেনতা মূলক কর্মকান্ড হাতে নেওয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।