মূল খবরে যান

শিরোনাম
● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন● হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

উখিয়ার মরিচ্যা-পাতাবাড়ি সড়কের বেহাল অবস্থা, সড়ক নয় যেন পুকুর

শেয়ার করুন

কনক বড়ুয়া, নিউজরুমঃ

উখিয়ার ব্যস্ততম স্টেশন মরিচ্যা। এই স্টেশনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে উখিয়ার মরিচ্যা-পাতাবাড়ি সড়কের জনসাধারনের জীবনযাত্রা। পাশিপাশি ঝুঁকির মধ্যেই চলছে যানবাহন। সংস্কারের অভাবে উখিয়ার এই মরিচ্যা-পাতাবাড়ি সড়কের অবস্থা বর্তমানে এতটাই শোচনীয় রুপ নিয়েছে যে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে এটিকে দেখে মনে হয় রাস্তা নয় যেন পুকুর। খানা খন্দকে ভরা, ভাঙাচোরা এই সড়কে চলাচলরত যানবাহন, চালক ও যাত্রী, পথচারীদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই। সড়কের এমন করুণ দশা থাকলেও এটি মেরামত কিংবা দেখার যেন কেউ নেই। সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে বড় বড় গর্ত হয়েছে। চাষ করার উপযোগী হয়ে উঠেছে এই সড়কটি।

মরিচ্যা- পাতাবাড়ি সড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ জায়গায় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। এ সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনে চলাচল করছেন যাত্রীরা। ফলে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণকে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে সৃষ্টি হচ্ছে বড় বড় গর্ত। হলদিয়ার মরিচ্যাবাসী সহ আরো ২/৩ টি গ্রামের জনসাধারন জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তা নিয়ে মহা-সমস্যায় থাকার পরও কর্তৃপক্ষ দিনের পর দিন রাস্তার এমন করুণ দশা দেখেও না দেখার ভান করে বসে আছেন। তবে এত খারাপ রাস্তা হওয়ার পরও থেমে নেই এখনকার অটোরিকশা, রিকশা, সিএনজি, জীপসহ সকল প্রকার যানবাহন। প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জীবিকার তাগিদে চালকরা বের হচ্ছেন গাড়ি নিয়ে।

যেহেতু রাস্তা এবং গর্তও পানি সমান হয়ে গেছে সেখানে কোনটা গর্ত আর কোনটা রাস্তা বুঝার উপায় নেই। যার কারনে রাস্তাগুলো দিয়ে রোগী নিয়ে চলাচল করতে জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে নানান দুর্ভোগ। রাস্তার এই করুণদশা রোগীদের শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ করে দিচ্ছে। রোগী ছাড়াও সুস্থ শরীরের মানুষজনও এই রাস্তাগুলো দিয়ে নিয়মিত চলাচল করলে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পথচারীরা জানায়, জমে থাকা পানি দিয়ে অপরিষ্কার হয়ে যায় তাদের নিত্যদিনের পোশাক। এবং প্রত্যেকদিন কোন না কোন এক দূর্ঘটনা হয়েই চলেছে। অন্যদিকে কিচক-পানিতলা ব্যাস্ততম রাস্তার করুন অবস্থা। সামান্য পানি হলেই জমে যায় ১ হাটু পানি। নেই কোন পানি নিস্কাশনের ব্যাবস্থা। যার কারনে আমাদের জীবন চলা এমতবস্থায় কঠিন হয়ে উঠেছে।

শেয়ার করুন