৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আনসার ক্যাম্পে অস্ত্র লুঠের মূল হোতা রোহিঙ্গা নুরুল আলম আটক

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে টেকনাফের নয়াপাড়া আনসার ক্যাম্পে অস্ত্র লুটের মুলহোতা নুরুল আলমকে আটক করেছে র‌্যাব। ২৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অভিযান চালানো হয় বলে নিশ্চিত র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান।

গ্রেফতারকৃত নুরুল আলম মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক এবং সেখানকার আকিয়াব জেলার মংডু থানার বাসিন্দা। নুরুল আলমকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে চালানো হচ্ছে বলে জানান র‌্যাব।

কুতুপালং শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের পুর্বাংশ ঘিরে ফেলে র‌্যাব। এরপর র‌্যাব সদস্যরা নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শিবিরে অভিযান চালিয়ে নুরুল আরমকে গ্রেফতার করে। নুরুল আলমকে গ্রেফতারের পর র‌্যাব সদস্যরা রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযান চালাছ্ছিলেন শিবিরে। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া নুরুল আলমের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৩ মে ভোররাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়ার মুচনী এলাকার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় এক দল দুর্বৃত্ত। এতে নিহত হন আনসার ক্যাম্পের কমান্ডার মো. আলী হোসেন। এ সময় ১১টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৭০টি গুলি লুট করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে অজ্ঞাত পরিচয় ৩০-৩৫ জনের বিরুদ্ধে আনসার ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ও পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে লুট হওয়া ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১১৫টি গুলি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।