২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না -পুলিশ সুপার মাসুদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইয়াবা ব্যবসা করে হাজী গাজীরাও রেহাই পাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

তিনি বলেন, বড় ছোট বলে কথা নয়, কোন ইয়াবা কারবারির রেহাই মিলবে না। ক্রমান্বয়ে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইয়াবায় অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শুক্রবার (৩১মে) বিকালে টেকনাফ উপজেলাধীন বাহারছড়া ইউনিয়নের মাদক নির্মুল ও প্রতিরোধ কমিটির কার্যালয় উদ্বোধনকালে এবিএম মাসুদ হোসেন কথাগুলো বলেছেন।
তিনি বলেন, সমাজে অনেক মুখোশধারী ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে। সবার মুখোশ খুলে দেয়া হবে। চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে তারা রেহাই পাবেনা। কোনো জনপ্রতিনিধির আশ্রয়ে ঘরের পাশে বা এলাকাতে কোনো মাদক কারবারী থাকলে; মাদক ব্যবসা করলে, সেই জনপ্রতিনিধিদেরও কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইকবাল হোসাইন, উখিয়া টেকনাফ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়ান, জেলা ডিএসবি শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম।
পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা,ও স্থানীয় মাদক বিরুধী জনসাধারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, সারা দেশে মাদকের জন্য টেকনাফের একটি বদনাম রয়েছে। সবার সহযোগিতায় এই বদনাম থেকে আমাদের মুক্তি পেতে হবে। বর্তমান সময়ে টেকনাফে এই মাদক ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তা বুঝা যায় এই বারের এসএসসি পরীক্ষায় টেকনাফের ফলাফল দেখে। কারণ কক্সবাজার শহরে অবস্থিত একটি নরমাল উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা ৭টি। কিন্তু পুরো টেকনাফে এর সংখ্যাও মাত্র ৭টি। এ থেকে উত্তরণে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি মাদক নির্মুল কমিটির সদস্যদের উদ্দশ্যে বলেন, আপনারা মাদক নির্মূলে কাজ করেন। আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেব। মাদকের সাথে জড়িত কোনো ব্যক্তি এই কমিটির সাথে যুক্ত থাকতে পারবেনা।
এদিকে, মাদক বিরোধী কমিটির শুরু থেকে কয়েকজন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলেও পুলিশ সুপারের অনুষ্ঠান স্থলে তাদের দেখা যায়নি।
এই ব্যাপারে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদের নিয়ে মাদক নির্মুল ও মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে। এখানে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিদের স্থান হবেনা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।