৯ জুলাই, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দিনব্যাপী কর্মসুচিতে বঙ্গবন্ধুর ৯৮ তম জন্মদিবস পালন

দিনব্যাপী কর্মসুচির মধ্য দিয়ে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৮তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস পালন করেছে কক্সবাজার ইসলামিক ফাউন্ডেশন। শুধু শহরে নয়, জেলার ৮ উপজেলার ৯২৬ কেন্দ্রে একযোগে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। এদিন সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিকালে জেলা কার্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কেন্দ্র মনিটরিং কমিটির সদস্যদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতির জনকের স্মরণে দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক ‘কথিকা’ পাঠ ও ‘থিমসং’ পরিবেশিত হয়। শেষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার ড. এ.কে.এম ইকবাল হোসেন। ইফার কক্সবাজার এর উপ-পরিচালক খাজা আহমদ মিয়াজীর সভাপতিত্বে সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সরওয়ার আকবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম ছিদ্দিকী, ইমাম মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ তারেক, জেলা ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা নুরুল আলম সরকার। মাওলানা মো. রুহুল মতিনের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ইফার ফিল্ড সুপারভাইজার ফজল করিম। সভা পরিচালনা করেন বিক্রয় সহকারী মো. আবদুর রহমান। সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের এক বিশাল জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন স্বাধীনতার দিক নির্দেশনামূলক এক ঐতিহাসিক ভাষণ আর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে দিয়েছিলেন স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ হয়েছে স্বাধীন আর বাঙালী পরিচিতি পেয়েছে একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে। এ ইতিহাস আজকের প্রজন্মকে জানানো আমাদের সকলের দায়িত্ব। সভা শেষে বঙ্গবন্ধুর আতœার মাগফিরাত ও দেশ জাতির সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।