মূল খবরে যান

শিরোনাম
● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’

আলোচিত আবু সেন্টারস তিন ভবনের অংশ উচ্ছেদ শুরু

শেয়ার করুন


পূর্ব ঘোষণা মতো শহরের নালা-নর্দমা দখল উচ্ছেদ শুরু করেছে কক্সবাজার পৌরসভা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেয়র মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে প্রথমে ভাঙা হয় বৌদ্ধমন্দির সম্মুখস্থ দিপালী ভবনের একাংশ। এরপর বৌদ্ধমন্দির সড়কের মাহতাবের মালিকানাধীন ভবনের নালায় পড়া কিছু অংশ ভাঙা হয়। পরে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নালা দখল গড়ে বহুল আলোচিত আবু সেন্টারের অংশ ভাঙা হচ্ছিল। তবে দিপালী ভবন ও মাহতাবের ভবন কিছুটা ভাঙার পর মালিক পক্ষ নিজেরা ভেঙে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী অভিযানকালে সাংবাদিককের জানান, নালা দখল করে গড়ো তোলা ভবনের প্রথম ক্যাটাগরিতে পড়েছে বৌদ্ধমন্দির সম্মুখস্থ দিপালী ভবন। এই ভবনের যে অংশ নালায় পড়েছে তা ভাঙার মধ্যে দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। কিছু অংশ ভাঙার পর ভবনের মালিক মো. কালু এসে অবশিষ্ট অংশ নিজে ভাঙার জিম্মা নেন। তাকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে নিজ জিম্মায় ভেঙে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই জন্য তার কাছ থেকে লিখিত ‘জিম্মানামা’ নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মাহতাবের মালিকানাধীন ভবনও ভাঙতে গেলে মালিক মাহতাব নিজে ভেঙে নেয়ার জিম্মা নেন। তাকে লিখিত ‘জিম্মানামা’ নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবু সেন্টারের নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভাঙার কাজ চলছে। এরই মধ্যে এক তৃতীয়াংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযানে মেয়র ছাড়াও কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামসেদ, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী, সচিব রাসেল চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নিয়েছেন। উচ্ছেদ কার্যকমে কাজ করছে ৩০ জনের অধিক শ্রমিক। সেই সাথে কাটার মেশিন, ড্রেইল মেশিন বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে নিজেরাই নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নিয়েছে কক্সবাজার বিল্ডার্স’ এর মালিক পক্ষ।
মেয়র মাহবুবুর রহমান বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্যই উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এতে আমরা কাউকে পরোয় করছি না। কারণ সবার চেয়ে জনগণ বড়। শেষ পর্যন্ত নালা দখল করে গড়ো তোলা সব স্থাপনা উচ্ছেদ করবোই আমরা। এই জন্য আমরা জনগণ ও মিডিয়ার সহযোগিতা চাই।’

শেয়ার করুন