২ মে, ২০২৬ | ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৪ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

আলোচিত আবু সেন্টারস তিন ভবনের অংশ উচ্ছেদ শুরু


পূর্ব ঘোষণা মতো শহরের নালা-নর্দমা দখল উচ্ছেদ শুরু করেছে কক্সবাজার পৌরসভা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মেয়র মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে প্রথমে ভাঙা হয় বৌদ্ধমন্দির সম্মুখস্থ দিপালী ভবনের একাংশ। এরপর বৌদ্ধমন্দির সড়কের মাহতাবের মালিকানাধীন ভবনের নালায় পড়া কিছু অংশ ভাঙা হয়। পরে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নালা দখল গড়ে বহুল আলোচিত আবু সেন্টারের অংশ ভাঙা হচ্ছিল। তবে দিপালী ভবন ও মাহতাবের ভবন কিছুটা ভাঙার পর মালিক পক্ষ নিজেরা ভেঙে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাদেরকে সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী অভিযানকালে সাংবাদিককের জানান, নালা দখল করে গড়ো তোলা ভবনের প্রথম ক্যাটাগরিতে পড়েছে বৌদ্ধমন্দির সম্মুখস্থ দিপালী ভবন। এই ভবনের যে অংশ নালায় পড়েছে তা ভাঙার মধ্যে দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। কিছু অংশ ভাঙার পর ভবনের মালিক মো. কালু এসে অবশিষ্ট অংশ নিজে ভাঙার জিম্মা নেন। তাকে ১৫ দিনের সময় দিয়ে নিজ জিম্মায় ভেঙে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই জন্য তার কাছ থেকে লিখিত ‘জিম্মানামা’ নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে মাহতাবের মালিকানাধীন ভবনও ভাঙতে গেলে মালিক মাহতাব নিজে ভেঙে নেয়ার জিম্মা নেন। তাকে লিখিত ‘জিম্মানামা’ নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আবু সেন্টারের নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভাঙার কাজ চলছে। এরই মধ্যে এক তৃতীয়াংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযানে মেয়র ছাড়াও কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা ছিদ্দিকী জামসেদ, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী, সচিব রাসেল চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নিয়েছেন। উচ্ছেদ কার্যকমে কাজ করছে ৩০ জনের অধিক শ্রমিক। সেই সাথে কাটার মেশিন, ড্রেইল মেশিন বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে নিজেরাই নালা দখল করে গড়ে তোলা অংশ ভেঙে নিয়েছে কক্সবাজার বিল্ডার্স’ এর মালিক পক্ষ।
মেয়র মাহবুবুর রহমান বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্যই উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এতে আমরা কাউকে পরোয় করছি না। কারণ সবার চেয়ে জনগণ বড়। শেষ পর্যন্ত নালা দখল করে গড়ো তোলা সব স্থাপনা উচ্ছেদ করবোই আমরা। এই জন্য আমরা জনগণ ও মিডিয়ার সহযোগিতা চাই।’

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।