৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল   ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

আজ উখিয়ায় আসবেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনের উপায় খুঁজে বের করতে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি দুই দিনের সফরে গতকাল ঢাকা এসেছেন। আজ তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে সাথে নিয়ে টেকনাফের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করবেন। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এ দিকে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে গতকাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরামর্শক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চি খোলামেলা আলোচনা করেন। বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদিও উপস্থিত ছিলেন।
সু চি উত্তর রাখাইনের সঙ্ঘাতপূর্ণ এলাকায় মানবিক ত্রাণ পৌঁছানোর অনুমতি দেন। তিনি জটিল এ ইস্যুটি নিরসনে সময় ও সুযোগ চান। রাখাইন পরিস্থিতি সম্পর্কে আসিয়ান সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে অবহিত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন সু চি।
আশিয়ান মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারা রাখাইন রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সম্প্রতি রক্ষা, বেসামরিক নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা এবং রাজ্যের সবার জন্য আরো মানবিক সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে পরামর্শ দেন।
সু চি জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং রাখাইন রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
গত অক্টোবরে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের চৌকিতে হামলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার উদ্যোগে এবং ইন্দোনেশিয়ার আয়োজনে ইয়াঙ্গুনে আসিয়ান মন্ত্রীদের অনানুষ্ঠানিক এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিফা আমান বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের নির্বিচার আটক, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, উত্তর রাখাইন রাজ্যে অব্যাহত সহিংসতার ব্যাপারে মালয়েশিয়া সরকার বারবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এসব কর্মকাণ্ডে নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে, বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।
আনিফা আমান বলেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূল ও গণহত্যার অভিযোগ খণ্ডন করতে মিয়ানমার সরকারকে স্বচ্ছ হতে হবে, সঠিক সময়ে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিতে হবে এবং আক্রান্ত এলাকায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।