১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

অপহরণের দাবি সত্য নয়, ভালবেসে রহিমকে বিয়ে করেছি’

এএইচ সেলিম উল্লাহ, কক্সবাজার
অপহরণ নয়, ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করেছেন খুরুশ্কুলের দক্ষিণ পেঁচার ঘোনার মোজাম্মেল হকের মেয়ে হাফছা আফনান। কিন্তু তার মা আফরোজা হক বাদি হয়ে হাফছা আফনানের স্বামী রহিম উল্লাহ সহ আরো ছয়জনকে আসামী করে আদালতে অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দিয়ে বক্তব্য প্রকাশ করেছেন হাফছা আফনান।
সেখানে তিনি বলেছেন, দক্ষিণ পেঁচার ঘোনা এলাকার মৃত জাকের আহমদ সওদাগরের পুত্র রহিম উল্লার সাথে দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি হাফছা আফনানকে জোর করে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তারর পরিবার। তাই বাধ্য হয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে ভালোবাসার মানুষ রহিম উল্লাহকে বিয়ে করেন তিনি।
তিনি জানিয়েছেন, আদালতের মাধ্যমে ৫ লাখ কাবিনমূলে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
বর্তমানে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দাম্পত্যজীবন যাপন করছেন। মায়ের দায়ের করা মামলায় হাফছা আফনানের বয়স ১৬ বছর দেখানো হলেও জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী প্রকৃত বয়স ১৯ বছর। এছাড়া মামলায় রহিম উল্লাহর  আত্মীয়-স্বজনকে আসামী করে হয়রানি করা হচ্ছে।   বিয়েকে কেন্দ্র করে রহিম উল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে হাফছা আফনানের পরিবার। এই নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।