২৮ এপ্রিল, ২০২৬ | ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১০ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার   ●  প্রতারণা-জালিয়াতিই যেন বেলায়তের নীতি!

অপহরণের দাবি সত্য নয়, ভালবেসে রহিমকে বিয়ে করেছি’

এএইচ সেলিম উল্লাহ, কক্সবাজার
অপহরণ নয়, ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করেছেন খুরুশ্কুলের দক্ষিণ পেঁচার ঘোনার মোজাম্মেল হকের মেয়ে হাফছা আফনান। কিন্তু তার মা আফরোজা হক বাদি হয়ে হাফছা আফনানের স্বামী রহিম উল্লাহ সহ আরো ছয়জনকে আসামী করে আদালতে অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বীকারোক্তি দিয়ে বক্তব্য প্রকাশ করেছেন হাফছা আফনান।
সেখানে তিনি বলেছেন, দক্ষিণ পেঁচার ঘোনা এলাকার মৃত জাকের আহমদ সওদাগরের পুত্র রহিম উল্লার সাথে দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি হাফছা আফনানকে জোর করে অন্যত্র বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তারর পরিবার। তাই বাধ্য হয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে ভালোবাসার মানুষ রহিম উল্লাহকে বিয়ে করেন তিনি।
তিনি জানিয়েছেন, আদালতের মাধ্যমে ৫ লাখ কাবিনমূলে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।
বর্তমানে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে দাম্পত্যজীবন যাপন করছেন। মায়ের দায়ের করা মামলায় হাফছা আফনানের বয়স ১৬ বছর দেখানো হলেও জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী প্রকৃত বয়স ১৯ বছর। এছাড়া মামলায় রহিম উল্লাহর  আত্মীয়-স্বজনকে আসামী করে হয়রানি করা হচ্ছে।   বিয়েকে কেন্দ্র করে রহিম উল্লাহ ও তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে হাফছা আফনানের পরিবার। এই নিয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।