মূল খবরে যান

শিরোনাম
● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘দুই ডাকাত পক্ষের’ গোলাগুলিতে নিহত ১ : গ্রেফতার ২ ভাই

শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দুটি পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই ভাইকে।বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে বলে টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া জানান।
পুলিশ বলছে, নিহত ও গ্রেপ্তাররা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরে তারা ওই ঘটনা ঘটায়। নিহত হোসেন আলীকে (৩২) স্থানীরা ‘বাইল্ল্যা ডাকাত’ বলে চিনেন। তিনি ওই শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মোহাম্মদ সালামের ছেলে। আর গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- আব্দুর রাজ্জাক (৩৫) ও আব্দুস সালাম (৩১) একই ক্যাম্পের বাঁচা আলীর ছেলে।
ওসি রণজিত বলেন, ভোরে নয়াপাড়া ক্যাম্পে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলির খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে ‘রোহিঙ্গা ডাকাত’ আব্দুল হাকিমের সহযোগী ‘বাইল্ল্যা ডাকাতের’ গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নুরুল আলম নামের আরেক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পালিয়ে যায় জানিয়ে ওসি বলেন, নুরুল নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে আনসার ব্যারাকের অস্ত্র লুট মামলার আসামি। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ওই ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে রাজ্জাক ও সালামকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে রণজিত বলেন, নিজেদের কোন্দলের জেরে এক সপ্তাহ আগে ‘বাইল্ল্যা ডাকাত’ ও তার সহযোগীরা আব্দুর রাজ্জাককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে সে কৌঁশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। “এর জেরে রাজ্জাক ও তার অনুসারীরা ভোরে বাইল্ল্যা ডাকাতের বাড়িতে হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়।” ওসি জানান, নিহত ও গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন