২৮ মে, ২০২৬ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

লোহাগাড়ার কলাউজান হরিণা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

obijog

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের হরিণা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৩১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় বর্তমানে বিদ্যালয়টি সুপরিচিতি লাভ করে। তবে, সম্প্রতি বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে ইচ্ছে মাফিক শিক্ষকেরা ক্লাস ছুটি দিয়ে বাড়ি চলে যান। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে এলাকাবাসী তাঁদের অভিযোগে উল্লেখ করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য উক্ত প্রতিনিধি গত ৮ মার্চ দুপুর আনুমানিক ২টা ৩৫ মিনিটে বিদ্যালয়ে গেলে বিদ্যালয়টি বন্ধ দেখা গেছে। বাইরে লৌহদন্ডে জাতীয় পতাকাটি উড়তেছে। জনমানবশূণ্য বিদ্যালয় প্রাঙ্গণটি শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষার্থী শূন্যাবস্থায় দেখা যায়। কিছুক্ষণপর স্থানীয় লোকজন ধীরে ধীরে আসতে থাকেন এবং বিদ্যালয়ের অনিয়ম সম্পর্কে উক্ত প্রতিনিধির সাথে আলাপ করেন। পরে উক্ত প্রতিনিধি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি গাজী মোঃ ইছহাক এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তিনি তৎক্ষণাৎ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপস্থিত হন এবং বিদ্যালয়ের অনিয়ম সম্পর্কে গভীর ক্ষোভ ও দু:খ প্রকাশ করেন। একই সময় সভাপতি মুঠোফোনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোঃ ইউসুফের সহিত যোগাযোগ করলে তিনি সিএল-এ ছুটি থাকার পরও বিদ্যালয়ের উপস্থিত হন এবং বিদ্যালয়ের অনিয়ম সম্পর্কে তিনিও ক্ষোভ ও দু:খ প্রকাশ করেন। একই প্রসঙ্গে বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার মাঈনুদ্দীন, রাশেদ, মিজান এবং বর্তমান পড়–য়া ছাত্র মামুন ও রায়হানের সাথে আলাপ করলে তারাও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অনিয়মের বিরুদ্ধে দু:খ প্রকাশ করেন। ওই সময় উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে উক্ত প্রতিনিধি ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে মুঠোফোনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফিজনূর রহমান ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মেরাজ উদ্দীনকে বিদ্যালয়ের এ অনিয়ম সম্পর্কে অবগত করান। এছাড়াও উপস্থিত এলাকার জনগণ বিদ্যালয়ের কোন কোন শিক্ষিকার বিরুদ্ধেও গুরুত্বর স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ আনেন। তাঁরা এ ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সভাপতি আরো উল্লেখ করেন, বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার স্বার্থে জনৈকা শিক্ষিকার স্বেচ্ছাচারিতা বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের নিকট গত ৫ ফেব্রুয়ারী ১টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও তা কোন কার্যকর হয়নি। যার কারণে তিনি এ ব্যাপারে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।