মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

লামার রুপসীপাড়ায় আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুন

img_20161203_153117
বান্দরবানের লামা উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিস কর্তৃক আয়োজিত গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণের নামে যুবকদের কাছ থেকে অর্ধলক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ২০ নবেম্বর উপজেলার রুপসীপাড়া ইউপি কমপ্লেক্স মিলনায়তনে গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিস। ১০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করেন রুপসীপাড়া ইউনিয়নের নারী পুরুষ সহ ৬৪ জন প্রশিক্ষনার্থী। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্রশিক্ষানার্থী দিন প্রতি ৯০ টাকা করে ১০ কর্মদিবস শেষে ৯ শত টাকা সম্মানিভাতা ও বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ সনদ প্রদান করার কথা থাকলেও এখানে তার উল্টো নিয়ম ঘটেছে।

মোঃ বাসেদ, জাবের উদ্দিন, মনোয়ারা বেগম, ফরিদা বেগম সহ একাদিক ভুক্তভোগী প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, উপজেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর আয়োজনে ৬৪ জন প্রশিক্ষণার্থীকে ২০ নবেম্বর থেকে ০১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১০ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ্রহণকারীর অনুকূলে মাথাপিছু ৯০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করার কথা থাকলেও অংশ্রহণকারীদের হাজিরা শিটে অনুপস্থিত দেখিয়ে জনপ্রতি ৪০০-৫০০শত টাকা কেটে নেয় ওই অর্থ আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও টিআই জাহাঙ্গীর আলম মিলে আত্মসাত করেন।
অবশিষ্ট টাকা চাইতে গেলে প্রশিক্ষণ সনদ ও ভাতা দিবেনা বলেও হুমকি দেয় টিআই জাহাঙ্গীর আলম।

লামা উপজেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শুধু অনুপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীর ভাতা কেটে রাখা হয়েছে, নিয়মের বাইরে আমি কিছুই করিনি, অবশিষ্ট টাকা আমরা ট্রেজারির মাধ্যমে জেলায় জমা দিব।

শেয়ার করুন